রাজ্যের সবজি বাজারে আপাতদৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তির ছবি দেখা গেলেও, (vegetable)গভীরে গেলে সামনে আসছে বড় প্রশ্ন পাইকারি বাজারে দাম এত কম হলে খুচরো বাজারে দাম এত চড়া কেন? আলু, পেঁয়াজ, টমেটো থেকে শুরু করে ফুলকপি, বাঁধাকপি, করলা ও গাজর প্রায় সব সবজির ক্ষেত্রেই পাইকারি ও খুচরো দামের ব্যবধান চোখে পড়ার মতো।
বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, আলুর পাইকারি দাম কেজি প্রতি মাত্র ৬.৪৩ থেকে ১৩.৮০ টাকা, অথচ খুচরো বাজারে সেই আলুই বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। একই ছবি পেঁয়াজের ক্ষেত্রেও পাইকারিতে ১৩-১৪ টাকার পেঁয়াজ খুচরো বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে ৪৮ টাকা পর্যন্ত।
এই স্প্যানিশ ফুটবলারের দিকে নজর রয়েছে আইএসএলের এক ক্লাবের
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি টমেটো নিয়ে। পাইকারি বাজারে টমেটোর দাম ১২ থেকে ৩৪ টাকা কেজি, কিন্তু খুচরো বাজারে সেই টমেটো কিনতে গেলে দিতে হচ্ছে ৩০ থেকে ৮০ টাকা। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারই তাই টমেটো রান্নায় ব্যবহার কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
ফুলকপি ও বাঁধাকপির ক্ষেত্রেও একই অসামঞ্জস্য। ফুলকপির পাইকারি দর মাত্র ৮ থেকে ১১ টাকা, অথচ খুচরো বাজারে প্রতি পিস কিনতে খরচ পড়ছে ১৪ থেকে ৩৬ টাকা। বাঁধাকপি পাইকারিতে ৮.৬ থেকে ৯ টাকা হলেও খুচরোতে ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি।
সবজির মধ্যে সবচেয়ে চড়া দাম করলার। পাইকারিতে করলার দাম ৫০ টাকা কেজি হলেও, খুচরো বাজারে তা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৫৪ থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত। গাজরের ক্ষেত্রেও একই চিত্র পাইকারিতে ১০-২০ টাকা হলেও খুচরো বাজারে দাম ৪৭ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।
কেন এই দামের ফারাক?
ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, পরিবহণ খরচ, শ্রমিক মজুরি, বাজার ট্যাক্স এবং নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি সব মিলিয়ে খুচরো দামে প্রভাব পড়ছে। তবে সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, এই যুক্তির আড়ালে অতিরিক্ত মুনাফা করছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে এই সমস্যা আরও প্রকট।
প্রশাসনের ভূমিকা কী?
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত বাজার নজরদারি, পাইকারি ও খুচরো দামের উপর কড়া নজর এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে পারলেই সাধারণ মানুষ প্রকৃত স্বস্তি পাবে। নইলে পাইকারি দামে পতন হলেও তার সুফল পৌঁছবে না সাধারণ ভোক্তার হাতে।
