অরূপের পদত্যাগ পরিকল্পিত নাটক! দাবি শুভেন্দুর

কলকাতা: মেসি কাণ্ডে পদত্যাগ করলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Suvendu Adhikari on Aroop Biswas resignation)। ‘তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতার স্বার্থে পদত্যাগ করছি’, এমনটাই দাবি করেছেন তিনি…

suvendu-adhikari-aroop-biswas-resignation-planned-drama

কলকাতা: মেসি কাণ্ডে পদত্যাগ করলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস (Suvendu Adhikari on Aroop Biswas resignation)। ‘তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতার স্বার্থে পদত্যাগ করছি’, এমনটাই দাবি করেছেন তিনি তার লেখা চিঠিতে। এই পদত্যাগ নিয়েই প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই পদত্যাগ কে সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেছেন। শুভেন্দু আরও বলেন এটা নাটক ছাড়া আর কিছু নয়।

Advertisements

শুভেন্দু তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই নাটক অনেক পুরোনো নাটক। তিনি বলেন সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মেসি কাণ্ডে মুখ পুড়েছে মমতা সরকারের। তাই এখন নিজেদের ভাবমূর্তি ধরে রাখার জন্য এই নাটক করছেন মমতা।

   

আধার অফলাইন ভেরিফিকেশনে বড় বদল, জানুন নতুন নিয়ম

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির আগমন ঘিরে যে বিশৃঙ্খলা তৈরী হয়েছিল তা নিয়ে নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সূত্রের খবর মারফত জানা যাচ্ছে যে ডিজি রাজীব কুমারকে শো কজ করা হয়েছে এই ঘটনায়। পুলিশের ডিসিপি অনীশ সরকারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

যুবভারতী স্টেডিয়ামে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা শুধু বিশৃঙ্খলা নয়,দর্শকদের মতে এটি একটি পরিকল্পিত ব্যর্থতা ও বড়সড় কেলেঙ্কারি, যা চিরদিনের জন্য কলকাতার ভাবমূর্তিতে কালো দাগ হয়ে থেকে যাবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের পদত্যাগ দাবি করেছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই কলকাতায় লিওনেল মেসিকে আনা হয়েছিল এমনটাও অভিযোগ করেছিল তারা।

তারা বলেছিল মেসির এই সফর ঘিরে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে এতো দামের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। এবং তারা সরাসরি তৃণমূলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে বলেছিল যে সাধারণ মানুষের টাকা চুরি করে ২৬ নির্বাচনের টাকা তুলে নিল তৃণমূল। দর্শকের মিথ্যে বুঝিয়ে মাঠে নিয়ে এসে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে এমনটাই অভিযোগ করেছে তারা।

কিন্তু বাস্তব চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। চরম অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার অভাবে মেসিকে কার্যত অনুষ্ঠানেই থাকতে দেওয়া হয়নি। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে দর্শকদের সামনে কোনও কর্মসূচিই কার্যত হয়নি। হতাশা, ক্ষোভ আর প্রতারণার অনুভূতিতে ফেটে পড়ে জনতা। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ক্ষুব্ধ দর্শকরা মাঠে নেমে পড়েন, ভাঙচুর চলে গ্যালারিতে, ছিঁড়ে ফেলা হয় পোস্টার, চেয়ার। যদিও সৌভাগ্যবশত বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি।

Advertisements