
পূর্ব মেদিনীপুর: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা (Nandigram)কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনকে নতুন করে শক্তি দিচ্ছেন এক তরুণী অষ্টমী গিরি। তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র কুনাল ঘোষ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় অষ্টমীকে ‘জয়ের কান্ডারী’ বলে সম্বোধন করে প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, অষ্টমী নন্দীগ্রামে তৃণমূলের বিজয়ের অন্যতম কারিগর হয়ে উঠতে পারেন, বিশেষ করে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে।
কুনাল ঘোষ নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এলাকায় জেলা পরিষদের হিসেবে (যা বিধানসভার সমতুল্য বলে মনে করা হয়) তৃণমূল ১০,৪০০-এর বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল। এই লিড দেখে বিজেপির দুষ্কৃতীরা বেলাগাম হামলা চালিয়েছিল। অনেক তৃণমূল কর্মী জখম হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, ঘরবাড়ি ভাঙচুরের শিকার হয়েছেন।
আজ রঞ্জিত মল্লিকের বাড়ি যাচ্ছেন অভিষেক! ব্যাপারটা কী?
এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে অষ্টমী গিরিও ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কয়েকজনকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করানো হয়। পরে সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণও দিয়েছে, বিডিওয়ের মাধ্যমে।কুনাল ঘোষ লিখেছেন, “অষ্টমীর মধ্যে একটা প্রতিবাদী ঝাঁঝ ছিল।” দলকে তিনি সে কথা জানিয়েছিলেন। অনেক সমস্যার মধ্যেও অষ্টমী লড়াই চালিয়ে গেছেন।

ক্রমে কুনালের নন্দীগ্রামে যাতায়াত কমে গেলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় অষ্টমীর কার্যকলাপ দেখে তাঁর ভালো লাগে। কুনাল অষ্টমীর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছেন “গলা তুলে কুৎসার জবাব দিতে জানে মেয়েটা,” বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। অষ্টমীকে তিনি নতুন প্রজন্মের কার্যকরী মুখ বলে মনে করেন। যদি নিজের বক্তব্যকে আরও ঘষে-মেজে, মাথা ঠিক রেখে এগোন, তাহলে এই মেয়ে দলে লম্বা দৌড়ের ঘোড়া হয়ে উঠতে পারেন সোশ্যাল মিডিয়া, সংগঠনের কাজ, জনসংযোগ সবকিছুতেই।
নন্দীগ্রাম রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে এখানে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী জিতেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে। কিন্তু পরবর্তী পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল শক্তিশালী হয়ে ফিরেছে। অষ্টমী গিরির মতো তরুণ নেতৃত্ব এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।
তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়, দলের বিরুদ্ধে অভিযোগের জবাব দেন সরাসরি, জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। কুনালের মতে, পঞ্চায়েতের সেই ১০,৪০০+ লিড এবার আরও বাড়িয়ে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূলের জয়ের অন্যতম কারিগর হবেন অষ্টমী।










