কলকাতা: মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (MGNREGA) প্রকল্পকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক তরজ়া চরমে (MGNREGA KYC irregularities)। আজ কোচবিহারের রাজনৈতিক সভা থেকে মমতা বলেন ১০০ দিনের কাজের টাকা লাগবে না। কেন্দ্রের ভিক্ষা রাজ্য সরকার গ্রহণ করবে না। এই মর্মেই হুঁশিয়ারি দিয়ে কেন্দ্রের অর্ডার ছিঁড়ে ফেলেন মমতা। কিন্তু কেন তিনি এমন করলেন। কেনই বা এমন ভাবে মেজাজ হারালেন। এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তরুনজ্যোতি তিওয়ারি সহ আরও কয়েকজন বিজেপি নেতা।
তাদের মতে ১০০ দিনের কাজের জন্য কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ করা হয় ৫৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এই টাকা ২০১৪ থেকে শুরু করে ২০২২ সালের হিসেবে। আজ মোদী সরকার ফের ঘোষণা করেছে বাংলায় ১০০ দিনের কাজ শুরু হবে কিন্তু এবারের এডিশন নো লুট এডিশন। বিজেপির নেতৃত্বরা অভিযোগ করছেন যতদিন MGNREGS বন্ধ ছিল, শ্রমিক নয়, কাজ করত ভূতুড়ে জব কার্ড, কাটমানি, আর পঞ্চায়েত সিন্ডিকেট।
টি–২০ সিরিজের শুরুতেই পুরনো দৃশ্য, হারল ভারত?
এবার রাজ্য সরকারকে বরাদ্দ টাকার পাই টু পাই হিসেব দিতে হবে। এবার কেন্দ্র যে শর্তগুলি দিয়েছে তা হল ১০০% e-KYC বাধ্যতামূলক। বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স + ৪ ঘণ্টায় জিও-ট্যাগড ছবি। কেন্দ্র আরও বলেছে জব কার্ড থাকবে শ্রমিকের কাছে, কোনও দাদাদের কাছে নয়। লেবার বাজেট এখন ত্রৈমাসিক পারফর্ম করো, নাহলে বিদায়। ২০ লাখের বেশি কোনো কাজ নয়। তার কারণ বিজেপি অভিযোগ করেছে তৃণমূলের বড় কাজ মানেই বড় লুঠ। এক পঞ্চায়েতে একসাথে ১০টার বেশি কাজ নয়।
ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট/এম্ব্যাঙ্কমেন্টে ব্ল্যাংকেট পারমিশন নেই “ইচ্ছে হলেই কাজ” যুগ শেষ। সিএজি অডিট এবং কেন্দ্রীয় টিমের পরিদর্শন স্যারপ্রাইজ টেস্ট শুরু হবে । ১ মাসে মাস্টাররোল না ভরলে কাজ অটোমেটিক বন্ধ ঢিলেমি নয়। বেআইনি লেনদেন পেলেই FIR এবং ৬০ দিনে রিকভারি।
রিকভারি যাবে সরাসরি কনসোলিডেটেড ফান্ডে। মানে কাটমানির দিন শেষ। প্রতি মাসে কেন্দ্রের মনিটরিং অফিসার মাঠে। বিজেপি সরাসরি অভিযোগ করেছে যে কেন্দ্র এই শর্ত গুলো লাগু করে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখোশ খুলে দিয়েছে। এবার তারা যাই হিসেবে হবে সঙ্গে সঙ্গেই। বিজেপি অভিযোগ করেছে তবে কি কেন্দ্রের এই শর্তগুলি দেখেই মমতার এতো রাগ। যা তিনি অর্ডার ছিঁড়ে ফেলে দিয়েছেন।
