ফের প্রশ্নের মুখে পড়ল কলকাতার নিরাপত্তা। মেসির কলকাতা সফরে দেখা গেল তীব্র বিশৃঙ্খলা (Messi Kolkata security lapse)। কিন্তু মেসি মাঠে আসতেই দেখা গেল কিছু বিক্ষুব্ধ জনতা নিরাপত্তা ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়ে। ছিঁড়ে ফেলে ব্যানার এবং তার সঙ্গে বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তড়িঘড়ি মাঠ থেকে বেরিয়ে যান মেসি। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই লেগে গিয়েছে রাজনৈতিক রঙ।
মাঠে বিশৃঙ্খলা শুরু হতেই দেখা গেল বজরংদলের পতাকা। শনিবার মেসিকে ঘিরে আয়োজন করা হয়েছিল বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের এবং তার সঙ্গে বলিউডের বাদশা শাহরুখ খানের। উপস্থিত থাকার কথা ছিল সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়েরও। তবে এদের কেউই মাঠে আসেননি। মুখ্যমন্ত্রী না থাকলেও মাঠে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার।
১২০ কিমি পাল্লার পিনাকা গাইডেড রকেট সিস্টেম কেনার প্রস্তাব ভারতীয় সেনার
রাজনৈতিক মহলের একাংশের অভিযোগ এই বিশৃঙ্খলা বিজেপির তরফ থেকে পরিকল্পনা করে করা হয়েছে এবং তা মাঠে বজরং দলের পতাকা দেখেই বোঝা গিয়েছে। আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে তৃণমূলই পরিকল্পনা করে এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য।যার জন্যে মমতা, শাহরুখ বা সৌরভ কাউকে মাঠে দেখা যায়নি। প্রমোশনাল ট্যুরে গতকাল রাতে কলকাতায় এসে পৌঁছন লিও মেসি। আজ হোটেল থেকেই ভার্চুয়ালি মূর্তি উন্মোচন করেন তিনি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১১:৩০ মিনিটে যুবভারতীতে পৌঁছান আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
সেই সময় মাঠে চলছিল মোহনবাগান অলস্টার বনাম ডায়মন্ড হারবার এফসি অলস্টার প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু মেসি মাঠে পা রাখা মাত্র, তাঁকে ঘিরে রাখেন নিরাপত্তারক্ষীরা। যদিও মেসিকে ভারত সফরে আনার প্রধান উদ্যোক্তা সকলকে বাইরে যাওয়ায় জন্য অনুরোধ করতে থাকেন। একই কথা বলতে শোনা যায় রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের গলায়।
এরই মধ্যে ১১:৫২ মিনিটে যুবভারতী ছাড়েন মেসি। এরপর ক্ষোভ উগড়ে দেন যুবভারতীতে উপস্থিত থাকা কয়েক হাজার ভক্ত। দর্শকাসন থেকে ক্রমাগত উড়ে আসতে থাকে ভাঙা চেয়ার। তারপরই ভেঙে ফেলা হয় মাঠে থাকা মেসির পোস্টার, ব্যানার এবং ফেসটোন। রাজ্য পুলিশকে কার্যত নিশ্চুপ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থেকে দেখা যায়।
