
কলকাতা: কলকাতার বড়বাজার (Fire in Burrabazar) এলাকা ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শহরের কেন্দ্রস্থলের এই ব্যস্ত বাজার এলাকায় বনফিল্ড রোডের কাছে একটি দোকানে আগুন লাগে, যা মুহূর্তেই আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। দুপুর ২:৪০ নাগাদ দমকলের কাছে খবর পৌঁছানোর পর তাৎক্ষণিকভাবে ৯টি দমকল ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ এখনও চলমান, আর এলাকায় বিপুল সংখ্যক দমকল কর্মী এবং পুলিশের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
দক্ষিণ কলকাতার বড়বাজার,(Fire in Burrabazar) যা শহরের অন্যতম ব্যস্ত ও পুরনো ব্যবসায়িক এলাকা, সেখানে দোকানগুলোর সংস্পর্শে থাকা অন্যান্য কাঠামোও আগুনের আঁচ পেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। এলাকায় বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ী (Fire in Burrabazar) এবং সাধারণ মানুষ থাকায় আগুন লাগার খবর শোনামাত্রই তড়িঘড়ি সবাই সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছেন।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বড়বাজারের (Fire in Burrabazar) বনফিল্ড রোডে যেই দোকানে আগুন লেগেছে, তা ছিল একটি কাপড়ের দোকান। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়, তবে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ বৈদ্যুতিক তারের কারণে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। তবে দমকল কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, আগুন দ্রুতই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে, যা আশপাশের অন্যান্য দোকানে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছিল।অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরেই দমকলের ইঞ্জিনের পাশাপাশি পুলিশের একটি বড় দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যাতে উদ্ধারকাজে কোনো সমস্যা না হয়। সঙ্গে সঙ্গে এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
দমকল বাহিনী প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ৯টি ইঞ্জিন পাঠিয়েছে। তারা দোকানটির ভিতরে ঢুকে আগুন নিভানোর চেষ্টা করছেন। দমকল কর্তৃপক্ষ জানান, আগুনের উৎস খুঁজে বের করার পাশাপাশি দ্রুতই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, এবং দমকল কর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “দোকানে আগুন লাগে এবং তারপরে আশপাশের দোকানে ধোঁয়া এবং গরমের কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই দোকান থেকে বেরিয়ে আসেন।” একজন ব্যবসায়ী বলেন, “এখানে প্রচুর কাপড় ও অন্যান্য ভয়ঙ্কর পদার্থ মজুত থাকে, সেজন্য আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। দমকল বাহিনী তড়িঘড়ি কাজে নেমে পড়েছে, আমরা আশাবাদী তারা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবে।”




