Netaji: শহরের একাধিক হোটেলে আজও উজ্জ্বল নেতাজীর স্মৃতি

বাঙালিদের কাছে সুভাষ চন্দ্র বসু (Netaji Subhas Chandra Bose) এক আবেগের নাম। রহস্যময় অন্তর্ধানের এতো বছর পরেও বাঙালিদের কাছে তিনি সমান প্রাসঙ্গিক। রাজনীতির আঙিনাতেও যেমন, তেমনি খাদ্যরসিকদের দুনিয়াতেও। তাঁর ব্যাক্তিত্ত্ব, তাঁর ম্যানারিজম এবং সর্বোপরি তাঁর বাঁধভাঙা দেশপ্রেম আজ নাড়িয়ে দিয়ে যায় আমাদের। স্বভাবতই এই প্রশ্ন আমাদের মনে জাগে যে তিনি কী খেতে ভালোবাসতেন বা ছাত্রাবস্থায় কোন রেস্তরাঁয় তিনি যেতেন। তাঁর জন্মদিনে আমরা সেটাই বোঝার চেষ্টা করেছি। কারণ এই শহরের আনাচে কানাচে আজও উজ্জ্বল নেতাজির স্মৃতি।

কলকাতায় এমন কয়েকটি জায়গা এখনও আছে, যেগুলি নেতাজির স্মৃতিতে আজ উজ্জ্বল।ছাত্র বয়সে স্কটিশ চার্চ ও প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ার সময় নেতাজি এইসব জায়গায় যেতেন। জানেন কি কোন জায়গা সেগুলো?

   

লক্ষ্মী নারায়ণ শ’ অ্যান্ড সন্স

১৯১৮ সালে এই চপের দোকানটি খোলা হয়েছিল। ১০০ বছরের পুরনো এই দোকানে নেতাজির উপস্থিতিতে দুবার পালিত হয়েছিল তাঁর জন্মদিন। এখানকার তেলেভাজা খুব বিখ্যাত। আজও এই দোকানে বিনামূল্যে নেতাজির জন্মদিনে বিলি করা হয় তেলেভাজা। যার নাম নেতাজির চপ।

প্যারামাউন্ট শরবত অ্যান্ড সিরাপ

কলেজ স্ট্রিটের এই দোকানটি সবাই চেনেন। এখানেও আসতেন নেতাজি। ডাবের শরবত ছিল তাঁর প্রিয়।

ইন্ডিয়ান কফি হাউস

কলকাতার কফি হাউজ হল বহু জ্ঞানী গুণী মানুষের আঁতুড়ঘর। এখানেও আসতেন নেতাজি। আড্ডাজগতের পীঠস্থান হিসেবে প্রখ্যাত এই প্রতিষ্ঠানের ৪ নম্বর টেবিল এখনো বিখ্যাত নেতাজির স্মৃতিতে।

ফেভারিট কেবিন

সূর্য সেন স্ট্রিট অঞ্চলে আজও এখানে বহু বিদগ্ধ মানুষের পদধূলি পড়ে, আজও এখানে তুমুল তর্ক চলে, গভীর আলোচনার সারাংশ শোনা যায়। আজও ৪ নম্বর টেবিল শ্রদ্ধার বিষয় এখানেও।

স্বাধীন ভারত হিন্দু হোটেল

এখানে নিজের হাতে শতরঞ্চি পেতে বন্ধুদের নিয়ে এক আনায় দুবেলা ভরপেট মাছ ভাত খেতেন নেতাজি বহু বছর। কলেজ স্ট্রিটের কাছেই ৮/২ ভবানী দত্ত লেন-এ এখনো স্বমহিমায় চলছে স্বাধীন ভারত হিন্দু হোটেল

La Tour d’Argent

প্যারিসের ১৫ 15 quai de la Tournelle এ অবস্থিত এই রেস্টুরেন্টটি আজ বিখ্যাত। ১৯৪১ সালে নেতাজির সাথে তৎকালীন ফরাসি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক আলোচনার প্রেক্ষাপট হিসেবে। এখানেই ওনারা লাঞ্চ মিটিংয়ে দেখা করেছিলেন।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন