বাংলা নিতে গিয়ে গুজরাট হারা মোদী! ভবিষ্যৎবাণী মমতার

কলকাতা: বনগাঁয় মতুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই মতুয়া সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ কি তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। আজ বনগাঁর জনসভায় বক্তৃতা…

Mamata Takes on BJP’s ‘Veg Supremacy’, Throws Support Behind Vendor

কলকাতা: বনগাঁয় মতুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই মতুয়া সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ কি তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। আজ বনগাঁর জনসভায় বক্তৃতা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এই বক্তৃতাতেই তিনি মন্তব্য করেন বাংলা নিতে গিয়ে গুজরাটের ক্ষমতা হারাবে বিজেপি। তিনি সভায় দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেন বাংলার উপরে কেন বিজেপির এত লোভ। বিজেপিকে প্রকাশ্যে ‘হ্যাংলা’ বলে সম্বোধন করেন তিনি। মমতা বলেন বাংলার মানুষকে বিজেপি পছন্দ করে না।

Advertisements

তারা বাংলা বিরোধী কিন্তু তাদের বাংলার উপর ভীষণ লোভ। আজকের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতার বেশিরভাগ অংশ জুড়েই ছিল SIR। তিনি সরাসরি বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন ২ মাসে SIR হতে পারে না। এ প্রক্রিয়ার জন্য অন্তত তিন বছর সময় লাগে। তাছাড়াও বিজেপির অনুপ্রবেশ অভিযোগ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মমতা বলেন বিজেপি সবসময়ই বলে অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে।

   

কাজের অতিভারে সিইও অফিসে রাতভর বিক্ষোভ BLOদের

কিন্তু মমতা প্রশ্ন করেছেন যে সীমান্ত, রেল, বিমানবন্দর সবকিছুর নিরাপত্তাতেই কেন্দ্রীয় সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে তবে তা সত্ত্বেও কেন অনুপ্রবেশকারী ঢুকছে বাংলায়। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন বেশি লোভ করলে তার ফল হয় বিপরীত। তিনি আরও বলেন যে এই লোভের কারণে নিজের রাজ্য গুজরাতেই সরকারচ্যুত হবে ডবল ইঞ্জিন সরকার।

বিহার নির্বাচন নিয়ে মমতা মন্তব্য করেন মহা গঠবন্ধন নরেন্দ্র মোদীর খেলা বুঝতে পারেনি তাই হেরে গেছে। কিন্তু বাংলায় এত সহজ হবে না। তৃণমূল এক ইঞ্চি জমিও ছাড়বে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। মমতার এই বক্তৃতার পরেই বেড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিরোধী শিবির সরাসরি প্রশ্ন তুলেছে সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি অধিগ্রহন করতে নারাজ তৃণমূল সরকার এবং ঠিক সেই কারণেই বাংলায় অনুপ্রবেশ বাড়ছে যা ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে।

তবে মোদীর গদি হারানোর বিষয়ে বিজেপি মন্তব্য করেছে যে SIR বা ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন তৃণমূলকে যথেষ্ট চাপে ফেলেছে। তবে রাজনৈতিক মহলের মন্তব্য যে বক্তৃতা বা মন্তব্যে কিছু এসে যায়না আগামী নির্বাচনেই সব ঠিক হয়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষ যাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে তারাই বাংলার মসনদে বসবে।

Advertisements