
হাওড়া: হাওড়া স্টেশন চত্বর থেকে গ্রেফতার তিন বিষ্ণই (Lawrence Bishnoi) গ্যাংয়ের সাগরেদ। গোলাবাড়ি থানার পুলিশের তৎপরতায় এই তিন দুষ্কৃতীকে ধরা পড়েছে, যারা পঞ্জাবের বাসিন্দা। সূত্রের খবর, এরা লরেন্স বিষ্ণই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত এবং কিছুদিন আগে একজন কবাডি খেলোয়াড়কে নৃশংসভাবে খুন করে ফেরার হয়ে গিয়েছিল।
আজ তারা হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেন ধরে পালানোর পরিকল্পনা করছিল, কিন্তু পুলিশের নজরদারিতে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।ঘটনার বিস্তারিত জানা যায় যে, গোলাবাড়ি থানার পুলিশ গোপন সূত্রের খবর পেয়ে হাওড়া স্টেশন চত্বরে অভিযান চালায়। স্টেশনের ভিড়ের মধ্যে তিন যুবককে সন্দেহজনক অবস্থায় দেখে তাদের ঘিরে ফেলা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা পঞ্জাবের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা এবং বিষ্ণই গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য বা সাগরেদ।
শামির পর SIR শুনানিতে ডাক প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটারের
পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কয়েকটি মোবাইল ফোন, ট্রেনের টিকিট এবং কিছু নগদ টাকা। এছাড়া তাদের দেহ তল্লাশি করে অস্ত্রশস্ত্রের কোনো চিহ্ন না পাওয়া গেলেও, তারা পালানোর জন্য প্রস্তুত ছিল বলে জানা যায়।এই তিনজনের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ হলো পঞ্জাবে একজন কবাডি খেলোয়াড়ের খুন। পঞ্জাবে কবাডি খেলার সঙ্গে গ্যাঙ্গস্টারদের যোগাযোগ দীর্ঘদিনের।
লরেন্স বিষ্ণই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই কবাডি খেলোয়াড় বা প্রমোটারদের সঙ্গে জড়িত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পঞ্জাবে একাধিক কবাডি খেলোয়াড়কে লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি খুনের দায় বিষ্ণই গ্যাং নিজেরাই সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বীকার করেছে। এই খুনের পিছনে প্রতিহিংসা, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং গ্যাংয়ের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণ থাকতে পারে বলে পুলিশের অনুমান।
গ্রেফতার হওয়া তিন যুবকের নাম এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, কিন্তু পুলিশ সূত্র জানিয়েছে যে, তারা গ্যাংয়ের নিম্নস্তরের সদস্য বা ‘সাগরেদ’। তারা খুনের পর পঞ্জাব থেকে পালিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিয়েছিল এবং হাওড়া স্টেশন থেকে অন্য রাজ্যে বা সম্ভবত বিদেশে পালানোর চেষ্টা করছিল। হাওড়া স্টেশনের মতো বড় জংশন স্টেশন থেকে পালানো সহজ মনে করেছিল তারা, কিন্তু রেলওয়ে পুলিশ এবং স্থানীয় থানার যৌথ নজরদারির কারণে ধরা পড়ে যায়।










