যুবভারতী কাণ্ডে বিস্ফোরক কুনাল ঘোষ

কলকাতা: যুবভারতী স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসি উপস্থিত হয়েছিলেন হাজার হাজার ভক্তদের জন্য (Kunal Ghosh on Yuva Bharati incident)। কিন্তু সেই ভক্তরাই আজ বঞ্চিত কিছু লোকের হ্যাংলামির…

kunal-ghosh-reacts-yuva-bharati-messi-incident

কলকাতা: যুবভারতী স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসি উপস্থিত হয়েছিলেন হাজার হাজার ভক্তদের জন্য (Kunal Ghosh on Yuva Bharati incident)। কিন্তু সেই ভক্তরাই আজ বঞ্চিত কিছু লোকের হ্যাংলামির জন্য। এমনটাই অভিযোগ করলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ। তিনি তার ভিডিও বার্তায় পরিষ্কার ভাবে মেসি ভক্তদের এই ক্ষোভকে সমর্থন জানিয়েছেন। কুনাল ঘোষ বলেন সকাল থেকে হাজার হাজার দর্শক তাদের আবেগ নিয়ে উপস্থিত ছিলেন।

Advertisements

কিন্তু কিছু হ্যাংলা লোক শুধু ব্যবসা করার জন্য মেসিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং তাদের জন্যই মেসিকে কেউ দেখতে পাননি। তিনি বলেন মাঠে ভক্তরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে, বোতল ছুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কিন্তু এতে তাদের কোনো দোষ নেই।

   

নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে মহারাষ্ট্রে ধৃত পুরুলিয়ার মুসলিম শেখ

কুনাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় আয়োজকদের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন ২০১১ সালে মেসি কলকাতায় খেলেছেন কিন্তু তখন তো এই বিশৃঙ্খলা হয়নি। আজ শুধু মাত্র আয়োজকদের অপদার্থতার জন্য মেসি ভক্তদের ক্ষোভ এমনটাই দাবি কুনালের।

এবং বলেছেন যে আয়োজকরা শুধুমাত্র ব্যবসা করার জন্য টাকা দিয়ে কিছু স্তাবকদের নিয়ে এসেছে। তারাই মেসিকে ঘিরে হ্যাংলামো করেছে। আর আজ তাদের জন্যই মুখ্যমন্ত্রী যাওয়ার আগেই মেসিকে মাঠ থেকে বেরিয়ে যেতে হল। প্রমোশনাল ট্যুরে গতকাল রাতে কলকাতায় এসে পৌঁছন লিও মেসি। আজ হোটেল থেকেই ভার্চুয়ালি নিজের মূর্তি উন্মোচন করেন তিনি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১১:৩০ মিনিটে যুবভারতীতে পৌঁছান আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

সেই সময় মাঠে চলছিল মোহনবাগান অলস্টার বনাম ডায়মন্ড হারবার এফসি অলস্টার প্রীতি ম্যাচ‌। কিন্তু মেসি মাঠে পা রাখা মাত্র, তাঁকে ঘিরে রাখেন নিরাপত্তারক্ষীরা। যদিও মেসিকে ভারত সফরে আনার প্রধান উদ্যোক্তা সকলকে বাইরে যাওয়ায় জন্য অনুরোধ করতে থাকেন। একই কথা বলতে শোনা যায় রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের গলায়‌।

এরই মধ্যে ১১:৫২ মিনিটে যুবভারতী ছাড়েন মেসি। এরপর ক্ষোভ উগড়ে দেন যুবভারতীতে উপস্থিত থাকা কয়েক হাজার ভক্ত। দর্শকাসন থেকে ক্রমাগত উড়ে আসতে থাকে ভাঙা চেয়ার। তারপরই ভেঙে ফেলা হয় মাঠে থাকা মেসির পোস্টার, ব্যানার এবং ফেসটোন। রাজ্য পুলিশকে কার্যত নিশ্চুপ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থেকে দেখা যায়।

Advertisements