
যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত সৌরভ চৌধুরীরে জামিনের আবেদন খারিজ করল আদালত। ২২ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে ধৃত সৌরভের মা বলেছেন যে তার ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে। শুক্রবার প্রথমে আটক, পরে গ্রেফতার করা হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরীকে। আজ শনিবার তাকে আদালতে তোলা হয়। জামিনের আবেদন জানালে তা খারিজ হয়ে যায়। অপর দিকে এদিন কোর্ট লকআপ থেকে বেরোনোর সময় সৌরভ নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে। তিনি বলেন, ‘আমি নিরপরাধ, আমি নিরপরাধ।‘
যাদবপুরকাণ্ডে ধৃত সৌরভ চৌধুরীর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শনিবার আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান যে ৩ জন পড়ুয়ার জবানবন্দিও নেওয়া হয়েছে। তদন্তে মানসিক নির্যাতনের তত্ত্ব সামনে এসেছে। গত বুধবার যাদবপুরের ছাত্র স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। হস্টেলের তিনতলা থেকে পড়ে মারা যান স্বপ্নদীপ।
শনিবার সৌরভ চৌধুরীর আইনজীবী অরিন্দম দাস বলেন,”স্বপ্নদীপের বাবা কোনওদিনই যাদবপুর আসেননি। স্বপ্নদীপ ৩ তারিখ ভর্তি হন। ৬ তারিখ যাদবপুরে ক্লাস করতে আসেন। যাদবপুর মেন হস্টেলে ঘর পাওয়ার ক্ষেত্রে সৌরভ চোধুরী ও মনোতোষ মণ্ডল স্বপ্নদীপকে সহযোগিতা করেছিলেন। ওই ঘরে বিমান বলে একটি ছেলে থাকতেন। সৌরভ মৃত ছাত্রের ক্লাসমেটও ছিলেন না, রুমমেটও না। ১০ তারিখ যে ফোন থেকে স্বপ্নদীপ ফোন করেন সেটাও সৌরভের ফোন নয়। বাবার মনে হয়েছিল ছেলে হতাশাগ্রস্ত। এমনকী পড়ে যাওয়ার পরও যে ফোন বাড়িতে যায়, তাও সৌরভের ফোন নয়। সৌরভকে ফাঁসানো হচ্ছে।“
অপরদিকে, সরকারি আইনজীবী সৌরিন ঘোষাল বলেন, “বাবা আগে আসেনি সত্যি। তিনজন পড়ুয়ার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। সুপারেরও বয়ান রেকর্ড হয়েছে। বলা হচ্ছে ধাক্কা মেরে ফেলেছে। কারা কারা আছে? ঘটনার পুনঃনির্মাণ করতে হবে। এই ঘটনার মোটিভ জানতে হবে। অভিযুক্তকে সত্যি কথা বলানোর জন্য সময় লাগবে। যে ফোন বাজেয়াপ্ত হয়েছে তার কল লিস্ট বের করব আমরা।“










