
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) সম্প্রতি কলকাতার ডেকার্স লেন পরিদর্শন করেন, যেখানে তিনি জনগণের সঙ্গে সময় কাটিয়ে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমি এখানে জনগণের সঙ্গে নিরাপদ। এটি এমন একটি স্থান, যেখানে মানুষ একত্রিত হয় এবং একসাথে থাকে। এটি আমার জন্য একটি অসাধারণ অভিজ্ঞতা।” রাজ্যপাল বোসের (CV Ananda Bose) এই মন্তব্য, বিশেষ করে কলকাতার এই ব্যস্ত এবং ঐতিহাসিক অঞ্চলে তার সফরের সময়, বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, তার জন্য এটি একটি খুবই ইতিবাচক অভিজ্ঞতা, যেখানে তিনি জনগণের সঙ্গে কাছাকাছি থাকতে পেরেছেন।
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) সম্প্রতি একটি ভয়ঙ্কর ইমেইল পেয়েছেন, যেখানে তাকে ‘ব্লাস্ট’ করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে, এই ধরনের হুমকি সত্ত্বেও তিনি কোনও ধরনের ভয় বা উদ্বেগ প্রকাশ করেননি।(CV Ananda Bose) তিনি বলেন, “আমি তো রাস্তায় আছি এবং জনগণের সঙ্গে আছি। জনগণই আমাকে সুরক্ষা দিতে পারে। জনগণের সুরক্ষা যে কোনো অন্য মানুষের সুরক্ষার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান।” তার এই মন্তব্যে স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয় তার আত্মবিশ্বাস এবং জনগণের প্রতি আস্থা, যা তিনি ব্যক্তিগত নিরাপত্তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। তিনি আরও যোগ করেন, “যদিও এই ধরনের হুমকি এসেছে, আমি ব্যক্তিগতভাবে এর জন্য কিছু মনে করি না।”
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose) ডেকার্স লেন সফরের সময় আরও একটি আলোচিত বিষয় ছিল। কেন্দ্রীয় সংস্থা, ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED), সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে একটি আবেদন জানিয়েছে, যেখানে তারা কিছু রাজনৈতিক বিষয় এবং তদন্তের সাথে সম্পর্কিত একটি মামলা নিয়ে শুনানি চাইছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস মন্তব্য করেন, “এটি আদালতের বিষয়, আদালতই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। যেহেতু বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন (sub judice), তাই একজন রাজ্যপাল হিসেবে আমার পক্ষে মন্তব্য করা উপযুক্ত হবে না।”
রাজ্যপাল বোসের এই মন্তব্যে স্পষ্ট হয়, তিনি বিচারব্যবস্থার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। আদালতকে বিষয়টির নিষ্পত্তি করতে দেয়া এবং আদালতের উপর আস্থা রাখা তার বক্তব্যের মূল বিষয়। তিনি জানিয়ে দেন, তিনি কোনোভাবেই রাজনীতি বা আইনি বিষয়গুলোতে হস্তক্ষেপ করবেন না এবং আদালত যে রায় দেবে, তা মেনে নেবেন।
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের(CV Ananda Bose) মন্তব্যে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে, তা হলো জনগণের প্রতি তার গভীর আস্থা। তিনি বারবার উল্লেখ করেছেন যে, তিনি জনগণের সঙ্গে রয়েছেন এবং জনগণই তার প্রকৃত সুরক্ষা। এটি একটি শক্তিশালী বার্তা, যেখানে তিনি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ সত্ত্বেও নিজের নিরাপত্তার জন্য জনগণের কাছে আস্থা রাখতে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর এই মনোভাব পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন রেখে যাবে।









