ঘুনি বস্তিতে ভয়াবহ আগুন! উঠল বাংলাদেশি প্রমান লোপাটের অভিযোগ

কলকাতা: নিউটাউন ঘুনি নাইন ব্রাদার্স মাঠের পাশেই ভয়াবহ আগুন (Ghuni slum fire)। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে এই মুহূর্তে ঘটনাস্থলে রয়েছে দমকলের ২০ ইঞ্জিন। দমকল বিভাগ…

ghuni-slum-fire-bangladeshi-documents-allegation

কলকাতা: নিউটাউন ঘুনি নাইন ব্রাদার্স মাঠের পাশেই ভয়াবহ আগুন (Ghuni slum fire)। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে এই মুহূর্তে ঘটনাস্থলে রয়েছে দমকলের ২০ ইঞ্জিন। দমকল বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে এই এলাকার একটি বস্তিতে আগুন লেগেছে। কিভাবে আগুন লাগল তা এখনও জানা যায়নি। তবে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এই ঘটনা বাংলাদেশি কলোনিতে আগুন ধরিয়ে সব নথি ও প্রমাণ লোপাটের নিখুঁত প্ল্যান হতে পারে।

Advertisements

দমকলের বিরুদ্ধে দেরিতে আসার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ২০ টি ইঞ্জিনের মধ্যে দুটি দমকলের গাড়িতে জল ছিল না বলেও উঠেছে অভিযোগ! দমকলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের! জানা গিয়েছে দমকলের একটি ইঞ্জিনের পাইপ ফাটা ছিল। SIR চালু হতেই এই ঘুনি বস্তি নিয়ে শুরু হয়েছিল চরম বিতর্ক।

   

নিলামে এই ক্রিকেটারের সংযোজনে নাইটদের স্ট্র্যাটেজিতে মুগ্ধ প্রাক্তন ভারতীয় তারকা

বিজেপি অভিযোগ করেছিল এই বস্তিতেই অসংখ্য বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন। আজকের এই অগ্নিকান্ডের পরে বঙ্গ বিজেপি ফের সরব হয়ে অভিযোগ করেছে যে এই অগ্নিকান্ড পরিকল্পনা মাফিক করা হয়েছে সমস্ত নথি পুড়িয়ে ফেলার জন্য।

ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস। এই বস্তিটি নিউটাউনের মতো আধুনিক এলাকার মাঝে একটা বৈপরীত্যের ছবি। ঘিঞ্জি ঝুপড়ি, সরু গলি এমন পরিবেশে আগুন লাগলে নিয়ন্ত্রণ করা সবসময়ই কঠিন।

ঘুনি বস্তিতে ভয়াবহ আগুন! উঠল বাংলাদেশি প্রমান লোপাটের অভিযোগ

দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তা সরু হওয়ায় বড় ইঞ্জিন ঢোকা মুশকিল। তবু দমকলকর্মীরা ঝুঁকি নিয়ে ভিতরে ঢুকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা অবশ্য দমকলের বিরুদ্ধে দেরিতে পৌঁছানোর অভিযোগ তুলেছেন।

কেউ কেউ বলছেন, কাছাকাছি হওয়া সত্ত্বেও সময়মতো না আসায় ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে। তবে দমকলের দাবি, খবর পাওয়ামাত্রই তৎপর হয়েছে তারা। ঘটনার সূত্রপাত সন্ধ্যা নাগাদ। ইকোপার্ক থানা এলাকার এই বস্তিতে হঠাৎ আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ছুটে আসেন স্থানীয়রা।

কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই যে কিছু করার ছিল না। অনেকে বলছেন, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই আগুনের সূত্রপাত। একের পর এক বিস্ফোরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা। শীতের রাতে এক কাপড়ে বেরিয়ে আসতে হয়েছে অনেক পরিবারকে। বহু মানুষের সর্বস্ব পুড়ে ছাই। কেউ কেউ আটকে পড়ার আশঙ্কা করছেন, যদিও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ এবং দমকলের যৌথ অভিযানে উদ্ধারকাজ চলছে।

Advertisements