বিহারী মোকাবিলায় ঘরে ঘরে কার্তিক ফেলার পরামর্শ গর্গের

কলকাতা: বাঙালিদের থেকে বিহারিদের জন্মহার বেশি (Garga Chatterjee )। এই সমস্যার সমাধানেই এবার ফের এগিয়ে এল বাঙালির অধিকার রক্ষার সংগঠন বাংলাপক্ষ। বাংলাপক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ…

garga-chatterjee-demographic-comment-controversy

কলকাতা: বাঙালিদের থেকে বিহারিদের জন্মহার বেশি (Garga Chatterjee )। এই সমস্যার সমাধানেই এবার ফের এগিয়ে এল বাঙালির অধিকার রক্ষার সংগঠন বাংলাপক্ষ। বাংলাপক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় তার ফেইসবুক পোস্টে বলেছেন বাঙালিদের জন্মহার খুব কম। মুসলিম এবং বিহারীরাই অধিক পরিমানে সন্তান জন্ম দেয়। এই সমস্যা থেকে বেরোতে গর্গ বলেছেন নবদম্পতিদের ঘরে ঘরে কার্তিক ফেলতে।

Advertisements

পরিসংখ্যান নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেছেন বাংলায় নারী প্রতি শিশুর জন্মহার ১.৬ – এর মধ্যে হিন্দু বাঙালির জন্মহার ১.৩ এবং মুসলমান বাঙালির ২.০, আর বিহারের নারী প্রতি শিশুর জন্মহার ৩.৪ অর্থাৎ বাংলার দ্বিগুনের বেশি! বাংলায় নববিবাহিতদের ঘরে ঘরে কার্তিক ঠাকুর ফেলুন। প্রতিটি বাঙালি ঘরে অন্ততঃ ২ টি করে সন্তান চাই।

   

বাংলাদেশ ম্যাচ নিয়ে কী বললেন এই ভারতীয় গোলরক্ষক?

যদিও পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে দেখতে গেলে বাঙালিরা পিছিয়েই আছে তবুও গর্গর এই ধরণের পোস্টের পরে সরব হয়েছেন নেটিজেনরা। অনেকেই বলেছেন গর্গের মস্তিস্ক বিকৃতি ঘটেছে আবার অনেকেই বলেছেন বাঙালিদের নিয়ে আন্দোলন করার কথা বলে গর্গ এই ধরণের বিভ্রান্তিকর এবং যথেষ্ট হাস্যকর কথা বলছেন। তবে শুধু মাত্র সন্তমনের জন্ম দিলেই তো হয় না তাকে শিক্ষা এবং একটি সুস্থ জীবনও দিতে হয় এমনটাও বলেছেন অনেকে।

আবার অনেকেই বলেছেন যে এই মুহূর্তে ভারতবর্ষে আরবীয় সংস্কৃতির প্রভাবে অনেকেই দুটি করে সন্তান নিচ্ছেন কিন্তু তাতে ফল কি হচ্ছে। জনসংখ্যা বাড়ছে হুড়হুড় করে। আবার অনেকেই সরাসরি ভারতীয় জনসংখ্যার পরিসংখ্যান তুলে প্রশ্ন করেছেন যে ভারতের যা আকার তার থেকে জনসংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। বাড়ছে বাসস্থানের অভাব। তার সঙ্গে বাড়ছে কর্মসংস্থানের অভাব এবং ক্রমেই বেড়ে চলেছে অপরাধমূলক কাজ করবার প্রবণতা।

তবে সিংহ ভাগ মানুষই গর্গের সঙ্গে একমত হতে পারেননি তারা বলেছেন যে বাঙালিকে ঘুরে দাঁড়াতে গেলে জনসংখ্যা বাড়ালে হবে না কিন্তু বাংলাপক্ষ ভুল বকা শুরু করেছে। আসলে এই ধরণের ভুঁইফোড় সংগঠনগুলি সরকারের কাছ থেকে টাকা পায় এবং মানুষকে ভুল বোঝায় আবার কখনো বাংলাইর অধিকার রক্ষার নাম করে মানুষসকে হেনস্থাও করে যা একেবারেই অসাংবিধানিক। তবে শুধু মাত্র অবলুপ্ত হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেক বেশি করে সন্তান নেওয়া একরকম হাস্যকৌতুক বলেই মনে করেন সাধারণ মানুষ।

Advertisements