
শেখ শাহজাহানকে জেরা করতে বসিরহাট জেলে গেল ইডি। আজ শনিবার বসিরহাট আদালতে ইডি আবেদন করে, জেলে গিয়ে শেখ শাহজাহানকে তারা জেরা করতে চায় তারা। ইডির দাবি, শাহজাহানের বিরুদ্ধে মোটা টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। গত ১৪ মার্চ আবারও ধামাখালি ও সরবেড়িয়ায় শাহজাহানের একাধিক ভেড়ি ব্যবসায়ীদের বাড়িতে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা।
এবার তারা জেরা করবে সন্দেশখালির বাঘ কে।
তবে, জেলে গিয়ে জেরার সময় শাহজাহান সহযোগিতা না করলে তাঁকে গ্রেফতার করার অনুমতি চাইতে পারেন তদন্তকারীরা। কলকাতার পিএলএমএ আদালতের কাছে তাকে গ্রেফতার করার অনুমতি চাইতে পারে বলেই ইডি সূত্রের খবর।
ইডির ওপর হামলার ঘটনার পর, তার তদন্তভার সিবিআইকে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এর পর শাহজাহানকে হেফাজতে ভরে সিবিআই। এরপর আদালতে ইডি ও সিবিআই একসঙ্গে জানিয়েছে, ইডি আধিকারিকদের ওপর হামলার সময় বাড়িতেই ছিলেন শেখ শাহজাহান। বাড়িতে বসে তিনি ফোন করে হামলাকারীদের ডেকেনেন। হামলাকারীদের ডেকে নিতে মাত্র ৩ মিনিটে ২৮টি ফোন করেছিলেন শাহজাহান। অবশেষে আজ শনিবার বেলা ১টা নাগাদ আদালতের অনুমতি নিয়ে বসিরহাট জেলে পৌঁছন ইডির আধিকারিকরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে জেরার প্রক্রিয়া চলছে।









