
সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয়েছে আই-প্যাক (IPAC Hearing) সংক্রান্ত ইডি মামলার শুনানি। বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজকের সওয়াল-জবাব পর্বে ইডি ও সরকারি পক্ষের উভয় পক্ষের পেশ করা যুক্তি সামনে এসেছে।
শুনানি শুরুতেই সলিসিটর(IPAC Hearing) জেনারেল তুষার মেহেতা IPAC Hearingআদালতকে বিশদভাবে বর্ণনা দিতে শুরু করেন, গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ইডি কী কারণে তদন্তে নেমেছিল। তিনি জানান, ইডি মূলত কয়লা দুর্নীতির একটি মামলার তদন্ত করছিল। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে দেখা গিয়েছে, এই দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় কুড়ি কোটি টাকা কলকাতা থেকে গোয়ায় স্থানান্তরিত হয়েছে।
এই অর্থ স্থানান্তরে IPAC Hearingমূলভাবে লাভবান হিসাবে প্রতীক জৈন-এর নাম উঠে এসেছে। সেই অনুসারে তদন্ত শুরু করা হয় এবং এই প্রক্রিয়ার মধ্যে বিভিন্ন স্তরে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তুষার মেহেতা আদালতকে জানান, এ ধরনের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে আইনি নিয়মকানুন মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
শুনানির(IPAC Hearing) সময় তুষার মেহেতা আরও উল্লেখ করেন যে, তদন্ত চলাকালীন সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হঠাৎ হস্তক্ষেপ ঘটেছে। ইডি আদালতে জানান, তদন্তকালে মুখ্যমন্ত্রী জোর করে ঘটনাস্থলে ঢুকে পড়েন এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করেন। আদালত এই বক্তব্যের গুরুত্ব বুঝে তা রেকর্ডে নেন। তুষার মেহেতা বলেন, “ইডি কেবল ২০ কোটি টাকার হিসাব নিতেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিল, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের কারণে আমাদের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।” এই মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টে বড় ধরনের রাজনৈতিক ও আইনগত বিতর্কের সূত্রপাত করেছে।




