
সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চে আজ ইডি-র মামলার শুনানি নিয়ে উত্তেজনা ও তীব্র মনোযোগ লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির (ED CASE) বেঞ্চে শুরু হওয়া এই শুনানিতে ইডি-র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি আদালতকে জানান, মামলায় একটি “শকিং ইনসিডেন্ট” ঘটেছে। মেহতা জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে বাধা দিয়েছেন এবং সেই সঙ্গে রাজ্যের ডিজিপি ও পুলিশ কমিশনারও মুখ্যমন্ত্রীর সহায়তায় ভূমিকা নিয়েছেন।
মেহতার এই মন্তব্যে আদালত কক্ষে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বিচারপতি পিকে মিশ্র শোনা যায়, “আমরা নোটিস জারি করছি। এটা খুবই সিরিয়াস বিষয়। (ED CASE) আমরা এটি খতিয়ে দেখতে চাই।” বেঞ্চের এই মন্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে, আদালত মামলার গুরুত্বকে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করেছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
শুনানির (ED CASE) শুরুতেই ইডি-র আইনজীবী বলেন, মামলায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও প্রমাণ সরাসরি ফেডারেল তদন্তের আওতায় রয়েছে। মেহতার বক্তব্য অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের ভূমিকা মামলার প্রভাবশালী দিকগুলির মধ্যে অন্যতম। তিনি আদালতকে সতর্ক করেন, যদি এই ঘটনা সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি শুধুমাত্র প্রশাসনিক নিয়ম লঙ্ঘন নয়, বরং সংবিধানিক প্রক্রিয়ায়ও আঘাত করবে।
এই মন্তব্যের (ED CASE) পর বেঞ্চ নোটিস জারি করে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছে তথ্য তলব করেছে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর এবং তা খতিয়ে দেখাই বেঞ্চের কর্তব্য। বিচারপতি মিশ্র বলেন, “আমরা চাই মামলার সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ আমাদের কাছে পৌঁছাক। ন্যায়বিচার প্রক্রিয়ায় কোনওভাবেই অবহেলা করা হবে না।”









