অবশেষে ইসলামিস্ট ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে সরব বাম নেত্রী

কলকাতা: বৃহস্পতিবার রাত থেকে বাংলাদেশে যে বিদ্বেষ এবং বিদ্রোহের আগুন জ্বলছে (Dipsita Dhar on violence against minorities)তাতে জ্বলে পুড়ে খাঁক হয়ে গিয়েছে গণতন্ত্র। বাদ যায়নি…

dipsita-dhar-calls-protect-minorities-from-islamist-violence-bangladesh

কলকাতা: বৃহস্পতিবার রাত থেকে বাংলাদেশে যে বিদ্বেষ এবং বিদ্রোহের আগুন জ্বলছে (Dipsita Dhar on violence against minorities)তাতে জ্বলে পুড়ে খাঁক হয়ে গিয়েছে গণতন্ত্র। বাদ যায়নি সংবাদ মাধ্যমের অফিস। সবচেয়ে নৃশংস পিটিয়ে এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে প্রকাশ্যে হিন্দু যুবকের হত্যা। এই দৃশ্য প্রকাশ্য রাজপথে ক্যামেরা বন্দি করেছে উগ্রবাদীরা। এই ইস্যুতেই এবার সরব হলেন বাংলার বাম নেত্রী দীপ্সিতা ধর।

Advertisements

তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন “স্পষ্ট কথায় কষ্ট নাই! ইসলামিস্ট ফ্যাসিস্ট দের হাত থেকে বাংলাদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী, নাস্তিক এবং প্রগতিশীল অমৌলবাদী মানুষের বাঁচানোর ডাক, এই বাংলার ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের আশু কর্তব্য হওয়া উচিত। জামাত-শিবির নিপাত যাক।” দীপ্সিতার এই পোস্ট ঘিরে তৈরী হয়েছে বাংলায় রাজনৈতিক চাপানউতোর।

   

বাংলাদেশে হিন্দু খুনে বিজেপিকে নিশানা গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের

প্রত্যেকেই এই নৃশংসতার প্রতিবাদ করলেও বামেরা এই প্রতিবাদ করার যোগ্যতা হারিয়েছে এমনটাই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলের একাংশের। বামেদের প্রতিবাদের ভাষা তখনই বেরোয় যখন ভিড় দেশে কোনও ঘটনা ঘটে কিন্তু নিজের দেশে এবং রাজ্যে যখন সাম্প্রদায়িক হিংসায় হিন্দুরা খুন হয় তখন তাদের প্রতিবাদের ভাষা কোথায় থাকে এমনটাই দাবি করেছেন তারা। মুর্শিদাবাদের সাম্প্রদায়িক হিংসায় যখন চন্দন দাস এবং হরগোবিন্দ দাস খুন হয় তখন বামেদের প্রতিবাদ কোথায় থাকে এমনটাও প্রশ্ন করেছেন তারা।

কখনও গাজা আবার কখনও পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের জলকষ্টের প্রতিবাদ জানাতেও একাধিকবার রাস্তায় দেখা গিয়েছে বাম শিবিরকে। কিন্তু মুর্শিদাবাদে যারা মারা গিয়েছিলেন তারা স্বঘোষিত সিপিএম সমর্থক ছিলেন বলেই জানা যায়। তখন বামেরা কেন প্রতিবাদ করতে পারেনি ইসলামিস্ট ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে।

শুধু দীপ্সিতা নয় আরও এক বাম নেতা এবং জনৈক আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য ও একটি পোস্ট করেছিলেন তথাকথিত প্রতিবাদ জানাতে। সেই পোস্টে খুব সাবধানে তিনি মৌলবাদী শব্দটি ব্যবহার করেছেন ইসলামিস্ট শব্দ ব্যবহার করেননি। সুতরাং সিপিএমের নিজেদের মধ্যেই মতানৈক্য রয়েছে এবং তারা যে দ্বিচারিতায় ভরা তাও উঠে এসেছে রাজনৈতিক মহলের সমালোচনায়।

এমনকি তারা বলেছেন একসময় হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে মারা যাওয়া আবু সাঈদকে নিয়ে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিল বামেরা। কিন্তু তার একমাস পরেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মৃত্যুতে তাদের কোনো প্রতিবাদ নজরে পড়েনি। সুতরাং এই দ্বিচারী এবং সুবিধাবাদী রাজনৈতিক দলের প্রতিবাদকে কুমিরের কান্না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বরা।

Advertisements