দমদমে তৃণমূলের ভাঙা ঘর জোড়া দিলেন দিলীপ

কলকাতা: দক্ষিণ দমদমের রাজনৈতিক ময়দানে আজ (Dilip Ghosh)নতুন করে আশার আলো দেখালেন দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের জন্য…

dilip-ghosh-south-dum-dum-party-office

কলকাতা: দক্ষিণ দমদমের রাজনৈতিক ময়দানে আজ (Dilip Ghosh)নতুন করে আশার আলো দেখালেন দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের জন্য দলের অন্যতম মুখ। আজ দিলীপ ঘোষ দক্ষিণ দমদম পুরসভার ২ নং মণ্ডলের দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন করেছেন। এই কার্যালয়টি ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা ভেঙে দিয়েছিল বলে অভিযোগ।

Advertisements

আজ সেই ভাঙা ঘরই নতুন করে জোড়া লাগিয়ে, রঙিন করে, বিজেপির পতাকা উড়িয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মণ্ডল সভাপতি, জেলা নেতৃত্ব এবং স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা। দিলীপ ঘোষ বললেন, “এটা শুধু একটা পার্টি অফিস নয়। এটা স্থানীয় মানুষের সমস্যা শোনার, সমাধানের জায়গা হবে। ২০২১-এ তৃণমূল জোর করে এই অফিস ভেঙে দিয়েছিল, কিন্তু আমরা আবার উঠে দাঁড়িয়েছি।

   

অমর্ত্য সেনের বাড়িতে হঠাৎ কমিশনের প্রতিনিধি দল

এটা আমাদের অটল সংকল্পের প্রতীক।” কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকে ফুলের মালা, শুভেচ্ছা জানিয়ে এলেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও খুশি কারণ এখান থেকে দৈনন্দিন সমস্যা নিয়ে কথা বলার একটা জায়গা পাবেন।দিলীপ ঘোষের এই পদক্ষেপকে অনেকে দেখছেন ২০২৬-এর নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে। সম্প্রতি অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর দিলীপ ঘোষকে আবার দলে সক্রিয় করা হয়েছে। তিনি বলছেন, তৃণমূল এতদিন জোর করে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে, কিন্তু এখন জনসমর্থন হারাচ্ছে। “

পরিবর্তন হবেই। সবাই মিলে এই সরকারের পতন ঘটাবই,” এই কথা বলে তিনি কর্মীদের উদ্দীপ্ত করলেন।দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকা দীর্ঘদিন তৃণমূলের দখলে। ২০২২-এর পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। কিন্তু বিজেপির দাবি, স্থানীয় স্তরে অসন্তোষ বাড়ছে লোডশেডিং, জলের সমস্যা, রাস্তাঘাটের দুরবস্থা নিয়ে।

এই কার্যালয় উদ্বোধনের মাধ্যমে বিজেপি সেই অসন্তোষকে সংগঠিত করতে চাইছে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক কর্মী বললেন, “২০২১-এ অফিস ভাঙার পর আমরা হতাশ হয়েছিলাম। কিন্তু দিলীপদা এসে আবার আশা জাগিয়েছেন। এখন থেকে এখানে প্রতিদিন কাজ চলবে। মানুষের কথা শোনা হবে।” আরেকজন স্থানীয় বাসিন্দা যোগ করলেন, “রাজনীতি যাই হোক, যদি সমস্যা সমাধান হয়, তাহলে ভালো।”

Advertisements