ধর্মতলা (Esplanade) আজ সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ সময় ধরে বেতন ও কাজের শর্ত নিয়ে আশাকর্মীদের দাবি মানার দাবি নিয়ে তারা মিছিল করছে। এই মিছিলে সাড়া দিতে কলকাতা পুলিশ পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যারিকেড(Esplanade) বসিয়ে মিছিলে বাধা সৃষ্টি করেছে। পুলিশের ব্যারিকেডের কারণে আশাকর্মীদের মিছিল বর্তমানে কলকাতা পুরভবনের সামনে আটকে রয়েছে।
তবে, এই বাধা তাঁদের রুখতে পারেনি। পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করছেন আশাকর্মীদের একাংশ। এই প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিলে অংশ নেওয়া কয়েকশ আশাকর্মী ব্যারিকেডের ওপর চড়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন এবং পুলিশের সাথে ছোটখাটো ধাক্কাধাক্কি ও ধস্তাধস্তি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজকের মিছিলটি মূলত বেতন বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যবিমা এবং অন্যান্য সুবিধার দাবিতে আয়োজিত। আশাকর্মীরা দাবি করেছেন যে তারা দীর্ঘদিন ধরে সীমিত বেতনের শর্তে কাজ করছেন, অথচ তাদের কাজের পরিমাণ এবং দায়িত্বের পরিধি দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। তাঁদের বক্তব্য, “আমাদের সঙ্গে ন্যায়ের আচরণ করা হোক। আমাদের কাজের মূল্যায়ন করা হোক।”
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। পুলিশ সুপার (সিটি) বলেন, “আমরা চাইছি মিছিলে অংশ নেওয়া সবাই শান্তিপূর্ণভাবে তাঁদের দাবি জানাক। তবে জনজীবন ও নিরাপত্তা বজায় রাখাও আমাদের দায়িত্ব।” পুলিশের উপস্থিতি মিছিলে থাকা অন্যান্য সাধারণ মানুষকে নিরাপদ রাখার জন্য করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
পরিস্থিতি তদারকিতে কলকাতার স্থানীয় প্রশাসন ও ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিকরা সরাসরি কাজ করছেন। পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা ও ধস্তাধস্তির কারণে আজ ধর্মতলার আশেপাশের যান চলাচলেও বড় ধরনের ব্যাঘাত দেখা দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিসগুলোর কিছু সময় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আশাকর্মীরা (Esplanade) জানান, তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না তাঁদের দাবিগুলি মানা হয়। আন্দোলনকারীদের মধ্যে নেতৃত্বাধীন কয়েকজন বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি জানাতে চাই। কিন্তু আমাদের দাবি অমীমাংসিত থাকলে আমাদের এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।”
