কলকাতায় অভিনব উপায়ে সোনা লুট, পলাতক বাংলাদেশি লুটেরা

বাংলাদেশ থেকে এসে সোনা লুট! লু়টেরার সন্ধানে (Kokata Police) কলকাতা পুলিশ। চলছে তল্লাশি। অঊিযুক্তের নাম মিঠু। তার ঘনিষ্ট কয়েকজনকে জেরা করে সূত্র মিলিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে খোয়া যাওয়া সোনার বড় অংশ। বাকি অংশ ওই পলাতক বাংলাদেশির কাছেই আছে বলে পুলিশের অনুমান।

গোপনে ফের সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে চলে গেছে মিঠু? তদন্তে এটিও বড় প্রশ্ন। তেমনই প্রমাণিত বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ করার বিষ়যটি। আগেও একাধিকবার পশ্চিমবঙ্গে ধরা পড়েছে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি। এদের কেউ খুনি- গ্যাংস্টার, মানব পাচারকারী, কেউ আর্থিক জালিয়াত। বড়সংখ্যায় বাংলাদেশি কিশোরী-যুবতী ভারতে দেহব্যবসায় জড়িত।

   

কলকাতা পুলিশ তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ‘স্বর্ণ মৃগয়া’ শিরোনামে সোনা লুটের ঘটনা বর্ণনা করেছে। ঘটনার বর্ণনা- প্রায় ৭ কিলো ৮০৫ গ্রাম সোনার গয়না যার বাজাপ মূল্য ৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকার কিছু বেশি লুট হয় অভিনব প্রক্রিয়ায়। উত্তর ২৪পরগনা জেলার টিটাগড়ের বাসিন্দা জনৈক স্বর্ণব্যবসায়ী সোনার গয়নার বদলে সোনার বার কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়েন। তদন্তে উঠে এসেছে, শেক্সপিয়র সরণি থানার এলাকায় এক হোটেলে হাজির হন ওই ব্যবসায়ী। সেখানে তিনি দেখা করবেন মিঠু নামে এক খদ্দেরের সঙ্গে। চুক্তি হয় গয়নার বিনিময়ে ব্যবসায়ী পাবেন পাবেন সোনার ‘বার’। লেনদেন হয়ে যায়।দোকানে ফিরে ব্যবসায়ী পরীক্ষা করে বু়ঝতে পারেন তাকে নকল সোনার ‘বার’ ধরিয়ে দিয়ে আসল সোনার গয়না নিয়ে চম্পট দিয়েছে ‘খদ্দের’ মিঠু।

ওই ব্যবসায়ী শেক্সপিয়র সরণি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখে পুনিশশনাক্ত করে’মিঠু’-কে। জানা যায় সে বাংলাদেশের নাগরিক। ফুটেজ থেকে স্পষ্ট হয়ে যায়, ঘটনার দিন হোটেলের বাইরে অপেক্ষা করছিল তার এক সহযোগী, গয়না সমেত একসঙ্গেই পালায় দুজনে। সূত্রের সাহায্যে মিঠুর ওই সহযোগীকে শনাক্ত করা হয়। তার জিতন পাল। জানা গেছে জিতন বৌবাজারে স্যাকরার কাজ করে। জিতনকে জেরা করে গ্রেফতার করা হয় উত্তম পাল ও আরও একজন বাংলাদেশি নাগরিক গৌতমচন্দ্র সাহা। তাদের কাছেই হদিস মেলে লুট করা সোনার গয়নার। উদ্ধার হয় ৫ কিলো ৬৮৪ গ্রাম সোনার গয়না। পলাতক বাংলাদেশি লুটেরা মিঠু।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন