
সভা শুরু বেলা ১২টায়। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে (21st July TMC Rally) উঠবেন আরও কিছু সময় পর। কিন্তু সকাল থেকেই ধর্মতলায় হাজির লক্ষ লক্ষ মানুষ। মূল মঞ্চের সামনে তিল ধারণের জায়গা নেই। অনেকেই সামনে থেকে নেত্রীকে দেখবেন বলে রাত কাটিয়েছেন মঞ্চের সামনেই। ভোরের আলো ফুটতেই মঞ্চের সামনে হাজির হয়েছে গিয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
এবার একুশে জুলাইয়ের মঞ্চের আকৃতি হয়েছে ইংরেজি অক্ষর এল (L)-এর মত। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য মঞ্চের সামনের ভাগ থাকছে। এই অংশের মাপ ৫২ ফুট বাই ২৮, উচ্চতা ১০ ফুট। আগে এর মাপ থাকতো ৪৮ ফুট হতো। দ্বিতীয় ভাগ ৪৮ ফুট বাই ২৪ ফুট, উচ্চতা ১১ ফুট। তৃতীয় ভাগ হবে ৪৮ ফুট বাই ২০ ফুট, উচ্চতা ১২ ফুট।
মঞ্চের প্রথম ভাগে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা। বাকি দু’টি মঞ্চে থাকবেন তৃণমূল সাংসদ, বিধায়করা। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আলাদা র্যাম্প থাকছে। এছাড়া অন্যান্য মন্ত্রীদের জন্য র্যাম্প তৈরি হচ্ছে। বৃষ্টিতে যাতে কোনও ক্ষতি না হয় তাই মঞ্চের ব্যাকড্রপ আগের তুলনায় মোটা করা হচ্ছে। ৪০ ফুট বাই ৩০ ফুট। থাকছে ১৩ জায়ান্ট স্ক্রিন, প্রায় ৪০০০ স্বেচ্ছাসেবক।
মমতার ভাষণ শুনতে ধর্মতলায় উত্তরবঙ্গের লক্ষ লক্ষ মানুষ
শুক্রবার থেকেই কলকাতায় আসতে শুরু করেছেন জেলার তৃণমূল কর্মীরা। প্রত্যেকবারের মতোই কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আজ সকালে খাওয়াদাওয়া করে তাঁরা সবাই ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। সবারই লক্ষ্য একটাই, যত দ্রুত সম্ভব মূল মঞ্চের সামনে পৌঁছানো।
লোকসভা ভোটে এবার বিরাট জয় পেয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে ২৮টি আসন ঘাসফুল শিবিরের দখলে গেলেও শহরাঞ্চলে শাসকদল ‘ধাক্কা’ খেয়েছে। আর তাই নানা পদক্ষেপ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আজকের সভা থেকে প্রশাসনের পাশাপাশি সংগঠনের বিষয়েও বার্তা দিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
২১ জুলাইয়ের আগে বিরাট বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার










