
সম্প্রতি রাজনৈতিক মহলে এক নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। সম্প্রতি আইপ্যাক-এর অফিসে অভিযান চালানোর সময় তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে এডি বা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আজ দুপুরে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। এই ঘটনা ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। আইপ্যাক হল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত একটি রাজনৈতিক কৌশল সংস্থা, যা নির্বাচনী প্রচারণা, জনমত জরিপ এবং রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সংস্থার অফিসে এডি অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা এবং বিতর্ক চলছে।
মামলার শুনানির আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে দুর্নীতির ১৬ কোটি টাকা ঢোকানো হয়েছিল। এই অভিযোগের সঙ্গে তিনি চেক নম্বরও উল্লেখ করেছেন, যা তদন্তকারীদের কাছে প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “আইপ্যাক শুধুমাত্র রাজনৈতিক কৌশল সংস্থা নয়। এর মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন অনিয়ম চালানো হয়েছে। আমার কাছে সমস্ত তথ্য ও চেক নম্বর রয়েছে যা প্রমাণ করে ১৬ কোটি টাকা আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে ঢোকানো হয়েছিল।” এই অভিযোগ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে খারিজ করা হয়েছে। দলের নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ধরনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারা পরিচালিত ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করেছেন।









