HomeBharatGujarat ATS: খাগড়াগড়ের পর ফের জঙ্গি যোগ বর্ধমানে, গুজরাটে ধৃত আল কায়েদা...

Gujarat ATS: খাগড়াগড়ের পর ফের জঙ্গি যোগ বর্ধমানে, গুজরাটে ধৃত আল কায়েদা সদস্য

পূর্ব বর্ধমানের সদর শহর বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ ঘটনার তদন্তে উঠে আসে সেটা ছিল বাংলাদেশের জেএমবি সংগঠনের ভারতীয় শাখার কর্মকাণ্ড। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক পদক্ষেপ। এবার নাদনঘাট।

- Advertisement -

ফের পূর্ব বর্ধমান জেলায় আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্রের দাবি। এবার এই দাবি করল গুজরাট পুলিশের জঙ্গি দমন শাখা (Gujarat ATS)। তাদের দাবি, রাজকোটে ধৃত তিন আল কায়েদা জঙ্গির দুজন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। তাদের দুজনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাটে।

গুজরাট পুলিশের এমন দাবির পর তীব্র চাঞ্চল্য। কারণ, এর আগে ২০১৪ সালে পূর্ব বর্ধমান জেলার সদর শহর বর্ধমানের খাগড়াগড়ে একটি বিস্ফোরণের তদম্তে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (NIA) দাবি করে এতে জড়িত ছিল বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ভারতীয় শাখা জ়েএমআই। তারা বর্ধমানের খাগড়াগড়ে ঘাঁটি বানিয়ে ভারত ও বাংলাদেশে নাশকতার ছক করেছিল। সেই খাগড়াগড় বিস্ফোরণ ঘটনার পর এবার গুজরাটে নাশকতা ষড়যন্ত্রের অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাটের দুই যুবকের সাথে আল কায়েদা জঙ্গি যোগ মিলেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

   

গুজরাটের এটি়এসের দাবি, আল কায়েদা জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের তিন যুবক। ধৃতদের মধ্যে দুজন পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট এবং একজন হুগলির তারকেশ্বরের বাসিন্দা। রাজকোটের সোনিবাজার থেকে এই তিন বাঙালি যুবককে গ্রেপ্তার করেছে গুজরাট পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে একটি দেশি পিস্তল এবং ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

গুজরাট পুলিশের জঙ্গি দমন শাখার দাবি, ধৃতদের নাম আবদুল শুকুর আলি শেখ, আমন মালিক এবং সইফ নওয়াজ। আবদুল এবং সইফ পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা। আমন হুগলির বাসিন্দা। গত ৮ মাস ধরে তিন যুবক রাজকোটের সোনি বাজারে থাকত। অভিযোগ তারা স্থানীয় যুবকদের মগজ ধোলাইয়ের চেষ্টা করত। তাদের কাছ থেকে কট্টরপন্থী ধর্মীয় ভিডিও মিলেছে। অভিযোগ, সেই ভিডিও দেখিয়ে স্থানীয় যুবকদের মগজ ধোলাই করত ওই তিন যুবক বলে দাবি করেছে গুজরাটের এটিএস।

- Advertisement -
এই সংক্রান্ত আরও খবর
- Advertisment -

Most Popular