TMC: কাঞ্চনজঙ্ঘা থেকে তিস্তাপার জুড়ে হাসলেন মমতা, গুরুং-অশোকের খেল খতম

Mamata Banerjee

দশক পর নির্বাচন। পাহাড়ি এলাকার ভোটের ফলাফলে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) হাসি চওড়া। পাহাড়ি এলাকায় গোজমুমো নেতা গুরুং যদিও ভোটে নেই তবে ফলাফল বলে দিচ্ছে মোর্চা নেতার রাজনীতি প্রায় শেষ হয়ে গেল। গুরুংকে রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগ্রহ নিতে হবে। জিটিএ ভোটে চারটি আসনে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস।

পার্বত্যাঞ্চল ছাড়িয়ে তিস্তাপার জুড়ে অর্থাৎ শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ ভোটের ফলাফলে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায়। বিরোধী আসনে বিজেপি। এখানে সিপিআইএম ও কংগ্রেসের দাপট কমে গেল। গত বিধানসভা ভোটে শিলিগুড়ি ও মাটিগাড়া নকশালবাড়িতে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের পরাজয় হয়। এই ধাক্কায় শিলিগুড়ি পুরনিগম থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয় সিপিআইএম। এবার মহকুমা পরিষদ ভোটে খেল খতম হয়ে গেল হেভিওয়েট সিপিআইএম নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যের।

   

গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ) ভোটে অন্যান্য পাহাড়ি দলগুলির সঙ্গে লড়াই করে পাহাড়ে ঘাসফুল ফুটিয়ে দিলেন তৃণমূল নেত্রী। ঠিক তেমনই নির্বাচন বয়কট করে গুরুংয়ের গোজমুমো, জিএনএলএফ, গোর্খা লিগ, বিজেপি সহ বিভিন্ন দল একপ্রকার ব্রাত্য হয়ে গেল। ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে অনশন করেও বিমল গুরুং তেমন সাড়া ফেলতে পারেননি।

দার্জিলিং পুরসভা ভোটে গুরুংয়ের পরাজয়ের পর থেকে জিটিএ এলাকা অর্থাৎ দুটি পাহাড়ি জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পং থেকে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (গোজমুমো) শক্তি হারাতে থাকে। নতুন দুটি পাহাড়ি দল অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি ও অনীত থাপার গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক পার্টির উত্থান হয়। আর গুরুং শিবির বিরোধী নেতা বিনয় তামাংকে নেতা করে রাজনৈতিক লড়াই শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেস।

জিটিএ ছাড়িয়ে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিআইএম ও কংগ্রেসের মধ্যে লড়াই হয়েছে। মহকুমা পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ টিএমসি।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন