রাজ্যের টাকা সঠিকভাবে খরচ হচ্ছে না, বোসের মন্তব্যে ফের সংঘাতে নবান্ন-রাজভবন

CV Ananda Bose

একশো দিনের টাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য-কেন্দ্রের মধ্যে তরজা বাড়ছে। বেশকিছুদিন আগেই নীতি আয়োগের বৈঠকে গিয়ে রাজ্যকে বঞ্চনার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার সেই সময় তাঁর মাইক অফ করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন। সংসদের বাজেট অধিবেশনেও বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল সাংসদেরা। কিন্তু এবার এই ইস্যুতে আচমকা মুখ খুলে ফের চর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে এলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

BJP: শুধুই নারী ধর্ষণ নয়, আরও কি কি করতেন? বিস্ফোরক অভিযোগ অমিত মালব্যের বিরুদ্ধে!

   

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,

” কেন্দ্রের দেওয়া টাকা সঠিকভাবে খরচ করেনি রাজ্য। অনুদানের অর্থ নয়চয় করে অনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এভাবে বাংলার অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। কেন্দ্রের কাছে টাকা চাওয়ার আগে বরাদ্দ খরচের শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক কেন্দ্র।”

রাজ্যপালের এই মন্তব্য নিঃসন্দেহে নবান্নের সঙ্গে সংঘাতকে আরও তীব্রতর করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উত্তরপ্রদেশে বড় সংকট! দশে দশ না পেলে ‘ডাহা ফেল’ যোগী

গত জুলাইতেই নতুন চার বিধায়কের শপথ ঘিরে জটিলতা বেড়েছিল রাজ্য-রাজভবনের মধ্যে। রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের চার নতুন বিধায়কেরা জিতে আসতে শপথগ্রহণ নানান জটিলতা শুরু হয় দুপক্ষের। পরে তাঁদের ডেকে পাঠানো হয় বিধানসভায় । সায়ন্তিকাদের মতো ওই চার হবু বিধায়ককেও শপথগ্রহণ করান বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

হু হু করে নাগরিকত্ব ছাড়ছে ভারতীয়রা, চিন্তায় কেন্দ্র

তার আগে সায়ন্তিকা ভগবানগোলার বিধায়ক রায়াত হোসেনকেও একই সমস্যায় পড়তে হয়। শপথ না করিয়ে দিল্লি চলে যান রাজ্যপাল। তারপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনের মহিলা কর্মী হেনস্থা নিয়ে মুখ খুললে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। 

রাজ্যপালের মন্তব্যের কড় নিন্দা করেছে রাজ্যের শাসক দল। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ” এসবই ভিত্তিহীন কথা। ওনার বিরুদ্ধে নারী হেনস্থার অভিযোগ রয়েছে। ইনি থাকলে রাজ্যের ক্ষতি। দিল্লির উচিত ওনাকে সরিয়ে নেওয়া। ” 

 

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন