
বীরভূমে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই মুহূর্তে নতুন মাত্রা পেয়েছে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের সভায় অমর্ত্য সেনকে (Amartya Sen) নির্বাচনী হিয়ারিং-এ ডাকার প্রসঙ্গ তুলার পরই নির্বাচন কমিশন তৎপর হয়ে ওঠে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন পুরোপুরি বোলপুরে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন কার্যক্রম শুরু করে। মঙ্গলবারই কমিশন জানায় যে, নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকে (Amartya Sen) সরাসরি শুনানিতে হাজির হতে হবে না। তবে প্রয়োজনীয় নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা অমর্ত্য সেনের বাড়িতে যাবেন। এই প্রক্রিয়ায় BLO (ব্লক লেভেল অফিসার) বাড়ি গিয়ে সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও ভোট প্রশাসনের মধ্যে তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। কমিশন চায় যাতে সব কিছু নিয়ম মেনে এবং শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। BLO-এর মাধ্যমে স্থানীয় স্তরে ভোটার যাচাই, তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন করা হবে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছে যে, কোনো প্রকার বিরক্তি বা বাধার সৃষ্টি হবে না এবং পুরো কার্যক্রম স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হবে।
অমর্ত্য সেনের বাড়ি পরিদর্শন প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ভোট প্রশাসনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। নির্বাচনের আগে বড় ব্যক্তিত্ব বা প্রভাবশালী ভোটারদের তথ্য যাচাই বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিশ্চিত করা এক সাধারণ নিয়ম। কমিশন জানিয়েছে, নোবেলজয়ী থাকাকালীনও এ ধরনের প্রক্রিয়া প্রয়োগ করা হবে, যাতে কোন প্রকার বৈষম্য বা বিশেষ সুবিধা না হয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার পর খবরটি আসার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় ভোটার এবং সাংবাদিক মহলে উত্তেজনা দেখা দেয়। তবে কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। BLO-র মাধ্যমে বাড়িতে পৌঁছে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অমর্ত্য সেনকে শুনানিতে হাজির হওয়ার প্রয়োজন হবে না। BLO-এর কাজ হবে কেবলমাত্র ভোট সংক্রান্ত তথ্য যাচাই এবং নিশ্চিত করা যে সমস্ত নথি সঠিক আছে।









