ভাঙড়ে মারধর‑পাথরবৃষ্টি: তৃণমূল‑আইএসএফ-র মধ‌্যে তুমুল উত্তেজনা, আহত একাধিক

দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ২১ অক্টোবর: ভোটের আগে এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি থাকলেও ভাঙড় (Bhangarh) এলাকায় উত্তেজনা তলানিতে নেই — বরং বারবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।…

Bhangar Witnesses Fierce Confrontation Between TMC and ISF, Chaos Engulfs the Area

দক্ষিণ ২৪ পরগণা, ২১ অক্টোবর: ভোটের আগে এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি থাকলেও ভাঙড় (Bhangarh) এলাকায় উত্তেজনা তলানিতে নেই — বরং বারবার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক সাম্প্রতিক ঘটনায় ফের উত্তপ্ত রূপ নিল দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড়ের রাজনৈতিক ময়দানে। সোমবার রাতে ভোগালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুমরু গ্রামে দুই রাজনৈতিক দলের — তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (ISF) — কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

Advertisements

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতের বেলায় বাজি পোড়ানোর দিক থেকে শুরু হওয়া বিবাদ ধীরে ধীরে হাতাহাতি ও ধাওয়া‑পাল্টা ধাওয়ার রূপ নেয়। সাধারণভাবে বাজি‑পটকা নিয়ে উৎসবমুখর মুহূর্তে মনে করা যেতে পারে এটি এক মুহূর্তের উত্তেজনা, কিন্তু ভাঙড়ের ঘটনাতে দেখা গেছে — পার্টি পতাকা, রাজনৈতিক দখল, গ্রাম‑রাজনীতি ও দপ্তর‑ক্ষমতার দাবির সঙ্গে এতে জড়িত হয়ে ওঠেছে।

   

এই ঘটনার পেছনে রয়েছে বহুসংখ্যক কারন। প্রথমত, ভোট ঘিরে গ্রাম‑পঞ্চায়েত পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীতা তীব্র। দলীয় পতাকা লাগানো, কর্মী সমাবেশ, সভা‑সমিতি—সবকিছুই এখন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। দ্বিতীয়ত, এই ধরণের এলাকায় গ্রাম‑রাজনৈতিক দখল, ক্ষমতার ভাগাভাগি এক দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ। যেমন এখন দেখা গেছে — বাজি‑ পোড়ানোর যুক্তিকেই হাতাহাতির সূত্র বানানো হয়েছে। তৃতীয়ত, প্রশাসনিক উপস্থিতি ও শান্তি রক্ষা বাহিনীর সচেতনতা মাঝে মাঝে পর্যাপ্ত নয়। তাই এক ছোটও ইশারা যেমন বাজি পোড়ানো বা পতাকা লাগানোর বিষয় হয়, তা দ্রুত হিংসার রূপ নিতে পারে।

 

Advertisements