
আই-প্যাক (I-PAC) এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর তল্লাশি নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের পাল্টা জবাব দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পক্ষ থেকে একটি ‘প্রেস নোট’ জারি করে এই অভিযান নিয়ে ইডি-র অবস্থান এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। (BJP Press Note on I-PAC ED raid)
বিজেপির প্রকাশিত ওই চিঠিতে উল্লিখিত প্রধান তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হল-
১০ জায়গায় তল্লাশি: ইডি-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অবৈধ কয়লা পাচার মামলার সূত্রে মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যার মধ্যে ৬টি জায়গা পশ্চিমবঙ্গে এবং ৪টি জায়গা দিল্লিতে অবস্থিত।
হাওলা ও নগদ লেনদেনের যোগ: ইডি জানিয়েছে, এই অভিযানগুলো সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে করা হচ্ছে। যে জায়গাগুলোতে তল্লাশি চলছে, সেগুলি অবৈধ নগদ অর্থ তৈরি, হাওলা লেনদেন এবং অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত বলে কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি।
নির্বাচনের সাথে কোনো যোগ নেই: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযানকে ‘ভোটের আগে ষড়যন্ত্র’ বলে অভিহিত করলেও, বিজেপি প্রেস নোটে জানিয়েছে যে এই অভিযানের সাথে কোনো রাজনৈতিক দল বা নির্বাচনের কোনো যোগসূত্র নেই। এটি স্রেফ অর্থ তছরুপের বিরুদ্ধে ইডি-র একটি রুটিন এবং চলমান প্রক্রিয়া।
আইনগত স্বচ্ছতা: প্রেস নোটে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, ইডি এই তল্লাশিগুলো আইন মেনে এবং সমস্ত বিধিবদ্ধ নিয়ম মেনেই করছে। কোনো রাজনৈতিক দলের অফিসে কোনো তল্লাশি চালানো হয়নি।
রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া উচিত। তদন্ত প্রক্রিয়ার রাজনীতিকরণ করা মানে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ওপর মানুষের আস্থা কমিয়ে দেওয়া।
West Bengal: West Bengal BJP issued a press note clarifying that the ED raids on I-PAC and Pratik Jain are part of a coal smuggling probe involving hawala transactions. They denied any link to elections, calling it a routine action against money laundering.










