Mamata Banerjee: টাটাকে আমি তাড়াইনি সিপিএম তাড়িয়েছে: মমতা

সিঙ্গুর আন্দোলন নিয়ে মমতার সাফাই। পঞ্চায়েত ভোটে নতুন বিতর্ক।

এ রাজ্য থেকে শিল্পের বিসর্জন হয়েছিল সিঙ্গুরে টাটা মোটরস কার়খানা বন্ধ করে টাটা গোষ্ঠির চলে যাওয়া। এমনই দাবি করে (CPIM) সিপিআইএম। তৎকালীন ক্ষমতায় থাকা বামফ্রন্টের জমি অধিগ্রহণ নীতির বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন হয়েছিল সিঙ্গুরে। সেই আন্দোলনের নেত়ৃত্ব দেন (Mamata Banerjee) মমতা। তিনি এখন মু়খ্যমন্ত্রী। তাঁর দশ বছর পার করা সরকারের আমলে শিল্প আনার ব্যর্থতা নিয়ে বিরোধীরা সরব। এবার পঞ্চায়েত ভোটের আগে সেই টাটা (TATA) ‘বিতাড়ন’ ইস্যুতে মুখ খুলেছেন মমতা।

  • সিঙ্গুর আন্দোলন নিয়ে মমতার সাফাই।
  • পঞ্চায়েত ভোটে নতুন বিতর্ক।

বিস্তারিত সংবাদ পড়ুন: 

   

শিলিগুড়ির কাওয়াখালি মাঠে বিজয়া সম্মিলনী থেকে মুখ্যত বললেন, টাটাকে আমি তাড়াইনি, সিপিএম তাড়িয়েছে। ওরা জোর করে জমি নিয়েছিল। আমি সেই জমি ফেরত দিয়েছি। হঠাৎ করে ১৪ বছর পর এধরনের কথা কেন বললেন মুখ্যমন্ত্রী? প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

সিঙ্গুর থেকে টাটা বিদায়ের পর কেটে গেছে ১৪ বছর। সিঙ্গুরের সেই জমিতে না মিলেছে শিল্পের সন্ধান। না হয়েছে চাষ। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়ে সেখানে সরষে ছড়িয়ে এসেছিলেন। সম্প্রতি মাছ চাষের জন্য সিঙ্গুরে পুকুর খননের কথা শোনা যায়। সময় বদলে এখন অন্য সুর সিঙ্গুরের সাধারণ মানুষের মুখে। তাঁরা বলছেন শিল্প হলে বদলে যেত আর্থিক পরিস্থিতি। এবার সিঙ্গুর নিয়ে বুধবার উত্তরবঙ্গ থেকে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কৃষি আমাদের ভিত্তি, শিল্প আমাদের ভবিষ্যত একথা বলেছিল তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার। তাদের উদ্যোগে রাজ্যে একলাখি গাড়ির কারখানা গড়তে চেয়েছিল টাটা। স্বাগত জানিয়েছিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কিন্তু জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সিঙ্গুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটানা আন্দোলনের জেরে বাংলা থেকে প্রকল্প গুটিয়ে নেয় টাটা।

২০০৮ সালে সিঙ্গুরের আন্দোলন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবান্নের পথকে আরও মসৃণ করেছিল। ২০১৬ সালে সিঙ্গুর মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের বামফ্রন্ট সরকার যে ভাবে জমি অধিগ্রহণ করেছিল তাতে পদ্ধতিগত ত্রুটি ছিল। পরে আদালতের নির্দেশে জমি ফেরত দেয় তৃ়ণমূল কংগ্রেস সরকার।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন