Solaiyar Travel: নদী, চঞ্চল ঝর্ণা, জঙ্গল আর লেক- অল ইন ওয়ান ডেস্টিনেশন

Solaiyar lake

সবুজ গালিচা, জংলি নদী, চঞ্চল ঝর্ণা, জঙ্গল আর ‘শোলায়ার লেক’- অল ইন ওয়ান ডেস্টিনেশন। নাম ভালপারাই-শোলায়ার লেক। এশিয়ার দ্বিতীয় গভীরতম ড্যাম।

তামিলনাড়ুতে অবস্থিত এই হ্রদটি ভালপারাই থেকে ২০ কিমি দূরে। আগে কোয়েম্বাটোর যেতে হবে। তারপর বাস অথবা ট্যাক্সিতে পোল্লাচি। পোল্লাচি থেকে সকালে বেড়িয়ে শোলায়ার লেক ঘুরে আসা যায়। তবে ভালপারাইতে থাকলে শোলায়ার লেক হয়ে আথিরাপল্লি ফলস অবধি যাওয়া যায়।

   

ভালপারাই থেকে শোলায়ার ২০ কিমি, আর শোলায়ার থেকে আথিরাপল্লি ৫৬ কিমি। পুরো রাস্তাটার ঘাট রোড আর জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে, ফলত রাস্তার অবস্থা বেশ খারাপ। তাছাড়া দোকানপাট কিছুই নেই। তাই অবশ্যই সঙ্গে জল ও খাবার রাখতে হবে। তবে গোটা রাস্তার সৌন্দর্য মন ভরিয়ে দেবে আপনার।

রাস্তায় নাম না জানা অন্তত ২০ টেকে ৩০ টি জংলি নদী পরবে। চারিদিকে সবুজ গালিচার ওপরে সাদা কুয়াশার চাদর। এছাড়া আথিরাপল্লির পথে ভরাচল ও চাপড়া দুটি ঝর্ণা পড়বে। সব মিলিয়ে অসাধারণ এক যাত্রার অনুভূতি।

Solaiyar lake

কোথায় থাকবেন:
পোল্লাচিতে থাকার অনেক হোটেল আছে- সেরা হোটেল ‘নিভেথা’। ভালপারাইতে ভালো হোটেল নেই কোনও। তবে হোম স্টে-এর ব্যবস্থা আছে। তবে খাওয়াদাওয়া দক্ষিণ ভারতীয় ও নিরামিষ। খরচ দৈনিক ১৫০০-২৫০০টাকা। তবে ঘর গুলি বেশ বড় বড়, অনেকে মিলে থাকা যায়। মনে রাখবেন পোল্লিচে থেকে ভালপারাই ট্যাক্সিতে যাওয়াই ভাল। বাসের সার্ভিস খুব কম।

মনে রাখবেন।
বিদ্যুৎয়ের সমস্যা রয়েছে। তাই সঙ্গে মোমবাতি, মশাতাড়ানোর ধূপ বা ক্রিম রাখতে হবে। রেইনকোট বা ছাতা রাখবেন সঙ্গে। ফাস্টএইড বক্স রাখবেই অবশ্যই। আর তাতে লবণ মাস্ট। বিশেষ করে বর্ষাকালে। এছাড়া ভালপারাই ছাড়ার পর পুরো ৭০-৭৫ কিমি রাস্তা ‘হাই প্লাস্টিক ফ্রি জোন’। তাই মনের ভুলেও প্লাস্টিক ফেলবেন না। একটু অসাবধান হলেই সঙ্গে সঙ্গে ১০০০ টাকা জরিমানা। কেরল সরকার ও তামিলনাড়ু সরকার উভয়েই এব্যপারে ভীষণ কঠোর।

কেনাকাটা:
এখানে ভাল চা আর মধু পাওয়া যায়। কিনতে পারেন।

<

p style=”text-align: justify;”>খাওয়াদাওয়া:
কাদা বেধি মার্কেট স্ট্রিতের গরম গরম ভাজ্জি আর বোন্দার সুগন্ধ আপনাকে আকৃষ্ট করবেই। এছাড়া মশলা বোন্দা, নারকেলের চাটটি আর ইডলি পোডি এখানকার প্রসিদ্ধ খাবার।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন