
গত সিজনের মতো এবার ও যথেষ্ট ছন্দময় ফুটবলের মধ্যে দিয়ে সিজন শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) মহিলা দল। পুরুষ দল গত সিজনের পর এবার এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত সাফল্য না পেলেও তাঁদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে মশাল কন্যারা। শেষ মরসুমে কন্যাশ্রী কাপের পাশাপাশি ইন্ডিয়ান ওমেন্স লিগ ও এসেছিল ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে। যারফলে বাংলার প্রথম দল হিসেবে এই খেতাব জয় করেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। সেই সুবাদে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে খেলার ছাড়পত্র পেয়ে যায় অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের মেয়েরা। উল্লেখ্য, এবারের এএফসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম থেকেই দাপট ছিল ভারতের এই দলের।
যারফলে অনায়াসেই জল পৌঁছে গিয়েছিল টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে। প্রথম ম্যাচে ইরানের শক্তিশালী দল বাম খাতুনকে পরাজিত করলেও পরবর্তীতে আর এগোনো সম্ভব হয়নি। যার ফলে শেষ পর্যন্ত গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিয়েছে সাথী দেবনাথরা। তবে দলের এমন পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে খুশি করেছে সকলকে। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়। এবার সাফ ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছে ইস্টবেঙ্গল ওমেন্স টিম। যেখানে প্রথম থেকেই দুরন্ত ছন্দে ধরা দিয়েছিল মশাল ব্রিগেড। ভুটানের ট্রান্সপোর্ট ইউনাইটেডকে পরাজিত করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে অনায়াসেই তাঁরা আটকে দিয়েছিল করাচি সিটিকে।
তারপর বাংলাদেশের নাসরিন স্পোর্টস অ্যাকাডেমির বিপক্ষেও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল সুলঞ্জনা রাউলরা। যারফলে আগে থেকেই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল মশাল শিবির। যারফলে শুধুমাত্র নিয়মরক্ষার থেকে গিয়েছিল আজকের এই ম্যাচ। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল নেপালের শক্তিশালী ফুটবল দল এপিএফ এফসি। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে গোলশূন্য ফলাফলের শেষ হয় এই ম্যাচ। উভয় দলের তরফে বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হলেও সেগুলি বাস্তবায়িত করতে পারেননি কোনও ফুটবলার।
তবে এই ম্যাচ থেকে নিজেদের ভুল ত্রুটি শুধরে নিয়ে আগামী ২০শে ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের ফাইনালে নামবে এই দুই ফুটবল দল। সেখানে বাজিমাত করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ দুই শিবিরের।










