Pakistan: ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় ৩ দিন ধরে গণধর্ষণ হিন্দু মহিলাকে

pakistan-sindh-married-hindu-girl-is-kidnapped-and-raped-as-she-refused-islam
File Picture

পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধু প্রদেশ থেকে অপহৃত হওয়া এক বিবাহিত হিন্দু মেয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে৷ তার অভিযোগ, অপহরণকারীরা তাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার হুমকি দিয়েছিল৷ ধর্মান্তর করতে অস্বীকার করলে তাকে ধর্ষণ করী হয়। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে এমন নিপীড়নের ঘটনা পাকিস্তানে প্রতিনিয়ত সামনে আসছে।

মেয়েটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা একটি ভিডিওতে বলেছে, তাঁকে উমেরকোট জেলার সামারো শহরে ধর্ষণ করা হয়েছিল এবং পুলিশ এখনও সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করতে পারেনি। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের এক নেতা জানান, রবিবার পর্যন্ত মিরপুরখাসের পুলিশ ওই তরুণীর নামে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করতে ব্যর্থ হয়েছে। “মেয়েটি এবং তাঁর পরিবার থানার বাইরে বসে আছে, তবে এখনও পর্যন্ত কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি৷

   

মেয়েটি ইতিমধ্যে বিবাহিত। ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, ইব্রাহিম মাংরিও, পুনহো মাংরিও ও তাদের সহযোগীরা তাকে অপহরণ করে। তারা তাকে হুমকি দেয় এবং ধর্মান্তরিত করতে বলে, কিন্তু সে অস্বীকার করলে তাকে তিন দিন ধরে ধর্ষণ করা হয়। নির্যাতিতা জানান, অপহরণকারীদের কবল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। অভ্যন্তরীণ সিন্ধুতে হিন্দু মেয়েদের অপহরণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। থর, উমরকোট, মিরপুরখাস, ঘোটকি ও খয়েরপুর এলাকায় প্রধানত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকাংশ সদস্যই এসব এলাকায় শ্রমিক।

গত বছরের জুনে হিন্দু মেয়ে করিনা কুমারী এখানে একটি আদালতে বলেছিলেন, তাঁকে জোর করে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং একজন মুসলিম পুরুষের সাথে বিয়ে হয়েছিল। গত বছরের মার্চে তিন হিন্দু মেয়ে- সাতরান ওড, কবিতা ভীল এবং অনিতা ভিল-কে অপহরণ করা হয়, জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয় এবং আট দিনের মধ্যে মুসলিম পুরুষদের সাথে বিয়ে দেওয়া হয়।

আরেকটি ঘটনায় গত বছরের ২১ মার্চ, পূজা কুমারীকে শুক্কুরের রোহরিতে তার বাড়ির বাইরে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। শুধু মেয়েরাই নয়, এমনকি বয়স্ক হিন্দু নারীরাও অপহরণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের শিকার হয়েছেন। চার সন্তানের জননী ঘোরি কোহলিকে সিন্ধুর খিপ্রো থেকে অপহরণ করা হয় এবং পরে জানতে পারেন যে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন। অপহরণের আসামি এজাজ মারির সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে হয়েছিল।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন