উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Mursidabad) সুজাপুর বিধানসভা এলাকা। ভোটগ্রহণ চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসায় জড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়। বিশেষ করে বেলতলারম অঞ্চলের ১৫৯ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
সাবিনা ইয়াসমিন অভিযোগ করেন, (Mursidabad) ভোট চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু সদস্য ভোটারদের পরিচয়পত্র যাচাই করার সময় অতিরিক্ত সময় নিচ্ছেন, যার ফলে ভোটদানের প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যাচ্ছে এবং সাধারণ ভোটাররা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের আচরণ ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে। ঘটনার সময় বুথে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। অনেক ভোটার অভিযোগ করেন, পরিচয়পত্র যাচাই করতে দেরি হওয়ায় ভোট দিতে সময় লাগছে বেশি। এই পরিস্থিতিতেই সাবিনা ইয়াসমিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক করার দাবি জানান। সেই সময়ই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, (Mursidabad) “ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে। পরিচয়পত্র দেখার নামে সময় নষ্ট করা হচ্ছে। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাব।” তিনি আরও জানান, গণতান্ত্রিক অধিকার সবার, এবং ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। তাঁর এই অভিযোগকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনার ঝড় উঠেছে। যদিও এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি, তবে সাধারণত ভোটের সময় নিরাপত্তা ও পরিচয় যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া বলেই মনে করা হয়। স্থানীয় ভোটারদের একাংশ জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে নিরাপত্তা বজায় থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া একটু ধীর হচ্ছে। তবে তাঁরা এটিকে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন না। তাঁদের মতে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।




















