
নতুন বছরে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরে এসেই যেন বার্তা দিয়ে দিয়েছিলেন। ফর্ম নিয়ে কোনও সংশয়ের জায়গা নেই। দিল্লির জার্সিতে নেমে প্রথম ম্যাচে ১৩১, পরের ম্যাচে ঝকঝকে ৭৭। বিরাট কোহলি (Virat Kohli) মানেই বড় মঞ্চ, বড় ইনিংস। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা ছিল, বিজয় হাজারে ট্রফিতে আরও একটি ম্যাচে দেখা যাবে তাঁকে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বদলে গেল সেই ছবি।
মুস্তাফিজুর বিতর্কে এই খেলাতে বিপাকে বাংলাদেশিরা! জানালেন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক
৬ জানুয়ারি রেলওয়েজের বিরুদ্ধে দিল্লির ম্যাচে কোহলির মাঠে নামার সম্ভাবনা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত তিনি খেলছেন না। দিল্লির কোচ শরণদীপ সিং স্পষ্ট জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের ম্যাচে কোহলিকে পাওয়া যাবে না। কেন এই সিদ্ধান্ত, তা অবশ্য জানানো হয়নি। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলির প্রত্যাবর্তনের জন্য অপেক্ষা বাড়ল আরও কিছুটা। এখন তাঁর পরের ম্যাচ সরাসরি ১১ জানুয়ারি, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজেই।
বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী ঘরোয়া ক্রিকেটে অন্তত দু’টি ম্যাচ খেলার কথা ছিল জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের। সেই নির্দেশ মেনেই বিজয় হাজারেতে দু’টি ম্যাচ খেলেছেন কোহলি। দায়িত্ব পালন করে এবার তিনি মনোযোগ দিচ্ছেন জাতীয় দলের প্রস্তুতিতে। জানা যাচ্ছে, রেলওয়েজ ম্যাচের পর দিল্লি দল ছেড়ে তিনি সরাসরি জাতীয় শিবিরেই যোগ দেবেন।
সঞ্জুর বিকল্প হিসেবে রাজস্থানে অধিনায়কের দৌড়ে এই ১৪ কোটির অভিজ্ঞ ক্রিকেটার
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সদ্যসমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে আগুনে ফর্মে ছিলেন বিরাট (Virat Kohli)। তিন ম্যাচে ৩০২ রান, গড় ১০০-রও বেশি। চলতি ক্যালেন্ডার বছরে ১৩ ইনিংসে ৬৫১ রান করে ইতিমধ্যেই নজির গড়েছেন তিনি। সেই ছন্দ ঘরোয়া ক্রিকেটেও ধরে রেখে আবারও প্রমাণ করেছেন, বড় ম্যাচের আগে নিজেকে প্রস্তুত করতে তিনি এখনও অতুলনীয়।
এ দিকে, কোহলি না থাকলেও বিজয় হাজারের মঞ্চে নজর থাকবে শুভমন গিলের দিকে। আগের ম্যাচে পেটের সমস্যার কারণে খেলতে না পারলেও, মঙ্গলবার গোয়ার বিরুদ্ধে পঞ্জাবের জার্সিতে নামার কথা তাঁর। জয়পুরে ম্যাচের আগে অনুশীলনে বেশ চনমনে মেজাজেই ধরা পড়েছেন শুভমন। ব্যাটিং অনুশীলন, ক্যাচ প্র্যাকটিস, এমনকি ফুট-ভলিতেও মাততে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
হামিদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল ইস্টবেঙ্গল
সাদা বলের ক্রিকেটে সাম্প্রতিক ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে শুভমনের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়ার পর এক দিনের ক্রিকেটে নিজের জায়গা আরও পোক্ত করতে বড় ইনিংসের প্রয়োজন তাঁর। অধিনায়কত্বের দায়িত্ব থাকলেও, শেষ পর্যন্ত ব্যাটই দেবে আসল জবাব। সেই বার্তাই যেন দিতে চাইছেন শুভমন।
সব মিলিয়ে, ঘরোয়া ক্রিকেটে বিরাটের ছোট্ট কিন্তু দাপুটে প্রত্যাবর্তন ইতিমধ্যেই উত্তাপ ছড়িয়েছে। এখন নজর ১১ জানুয়ারির দিকে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নামার সঙ্গে সঙ্গেই আবারও শুরু হবে ‘কিং কোহলি’ অধ্যায়ের পরের অধ্যায়।










