
মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে ‘বহিষ্কার’ করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ভারত-বাংলাদেশ (T20 World Cup) ক্রিকেটীয় সম্পর্কের উত্তাপের মধ্যে জেডিইউ নেতা কেসি ত্যাগী এক বিশেষ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, “রাজনীতির প্রভাব খেলায় পড়া উচিত নয়। বাংলাদেশ যখন হিন্দু ক্রিকেটার লিটন দাসকে দলের অধিনায়ক নির্বাচন করতে পারে, তাহলে আমাদেরও বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত। সংখ্যালঘু ক্রিকেটারকে অধিনায়ক করে বাংলাদেশ শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে।”
রাজধানীতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, আজই দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে আইএসএলের!
এ প্রসঙ্গে কেসি ত্যাগী আরও বলেন, “তারকা পেসারকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি ভেবে দেখা প্রয়োজন। খেলাকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা রাখা উচিত।”
মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে অনুমতি না দেওয়ার পর বিসিসিআইর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক নড়বড়ে হয়ে যায়। বিসিবি ঘোষণা করে, এবারের বিশ্বকাপ খেলতে তারা ভারতে আসবে না। এমনকী বাংলাদেশে আইপিএলের সম্প্রচারও বন্ধ করা হয়।
আইপিএল থেকে ছাঁটাই মুস্তাফিজুর, ৯.২০ কোটি টাকার ভবিষ্যৎ কী?
কার্তিক বলেন, “ভারতীয় উপমহাদেশে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে পরিস্থিতি খুবই স্পর্শকাতর। পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটাচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় ভারতীয়রা ক্ষিপ্ত। বিসিসিআই হয়তো সেই আবেগকেই মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
এর আগে শশী থারুর, আসাদ উদ্দিন ওয়েইসি ও অন্যান্য বিরোধী নেতারা মুস্তাফিজুর ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু জেডিইউ নেতার মুখে এবার প্রথমবারের মতো বিজেপি ঘনিষ্ঠ নেতৃত্বের সমালোচনামূলক বক্তব্য এসেছে, যা রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
BCCI সঙ্গে আলোচনা নয়, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য ঝুলছে শাহ পুত্রের হাতে!
ক্রিকেট বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই বিতর্ক শুধু খেলাধুলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; এটি দুই দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশকেও প্রভাবিত করছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু ও সংবিধানিক অধিকারের প্রসঙ্গে মতবিরোধ আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।










