কলকাতা: ২১ ডিসেম্বর রবিবার শীতের সকালে অনুষ্ঠিত হল টাটা ম্যারাথন (Sujit Bose reacts at Tata Marathon)। প্রত্যেক বছরই টাটার আয়োজনে এই ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। আজ এই ম্যারাথনের বাড়তি প্রাপ্তি যোগ ছিলেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন প্রত্যেক বছরই এই ম্যারাথনের অনুষ্ঠানে আসেন তিনি এবং জুনিয়র থেকে সিনিয়র আনন্দ রান পুরোটাই উপভোগ করেন।
কলকাতায় মেসির সফর এবং বিশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সুজিত বসু বলেন এই নিয়ে রাজ্যের তদন্ত কমিটি তদন্ত করছে কিন্তু শ্রীভূমিতে মেসির যে মূর্তি উন্মোচিত হয়েছে তা নিয়ে স্বয়ং ফুটবলের রাজপুত্র সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন। তাই তিনি নিন্দুকদের কথায় গুরুত্ব দিতে নারাজ। মেসির নব উন্মোচিত মূর্তি নিয়ে এর আগেও প্রচুর বিতৰ্ক সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এই মূর্তি উন্মোচনকে কটাক্ষ করেছেন আবার কেউ কেউ খুব নিম্নমানের শিল্পকর্ম বলেও কটাক্ষ করেছেন।
বাংলাদেশ আবহে চিকেন নেক রক্ষায় নয়া পদক্ষেপ ভারতীয় সেনার
কিন্তু সুজিত বসু এই নিন্দুকদের পাত্তাই দিচ্ছেন না এমনটাই শোনা গিয়েছে তার বক্তব্যে। তিনি তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যেখানে মেসি এই মূর্তি নিয়ে উচ্ছসিত সেখানে অন্যদের কথার কোনও গুরুত্ব নেই। তবে বাড়তি বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি মুখ খোলেননি এবং পুরোটাই রাজ্যের তদন্ত কমিটির হাতে ছেড়ে দিয়েছেন।
সম্প্রতি কলকাতায় মেসির ‘GOAT India Tour 2025’-এর অংশ হিসেবে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে লেকটাউনে উন্মোচিত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ৭০ ফুটের লোহার মেসি মূর্তি। মেসি নিজে ভার্চুয়ালি এর উদ্বোধন করেছেন, বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মেসির ভঙ্গিমায় তৈরি এই মূর্তি দেখে মেসি নিজে এবং তার টিম খুব খুশি হয়েছেন—এ কথা আগেই জানিয়েছিলেন সুজিত বসু।
কিন্তু মূর্তি উন্মোচনের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় বিতর্ক। অনেকে মূর্তির গুণগত মান নিয়ে কটাক্ষ করেছেন, কেউ বলেছেন এটা নিম্নমানের শিল্পকর্ম, কেউ আবার পুরো উদ্যোগকেই রাজনৈতিক প্রচার বলে কটাক্ষ করেছেন। এমনকি মূর্তির নির্দিষ্ট কিছু অংশ নিয়ে হাস্যরসের ঝড় উঠেছে নেটদুনিয়ায়। মেসির মূর্তি নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। মাত্র ৪০ দিনে তৈরি এই বিশালাকার মূর্তি বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেসি মূর্তি হিসেবে দাবি করা হচ্ছে।
শিল্পী মন্টি পালের নেতৃত্বে তৈরি এই কাজে সুজিত বসুর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ছিল প্রবল। কলকাতা ফুটবলপ্রেমী শহর, মারাদোনা থেকে রোনালদিনহো অনেক কিংবদন্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। মেসির এই সফর এবং মূর্তি তারই ধারাবাহিকতা। কিন্তু মূর্তির চেহারা নিয়ে সমালোচনা থামছে না। অনেকে বলছেন, এটা মেসির মতো দেখতে হয়নি, বিশেষ করে কিছু অংশে ভুল রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার সর্বত্র মিম আর কটাক্ষের বন্যা। তবু সুজিত বসু অটল। তিনি বলছেন, এটা শুধু মূর্তি নয়, এটা কলকাতার ফুটবলপ্রেমের প্রতীক। মেসি নিজে খুশি, ভক্তদের একাংশ উচ্ছ্বসিত এটাই যথেষ্ট।










