
গত কয়েকদিন ধরেই ফের অশান্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ (Bangladesh violence)। বারংবার আক্রান্ত হতে হচ্ছে সেখানকার মানুষদের। সেখানেই শেষ নয়। সম্প্রতি দীপু চন্দ্র দাস নামে এক বাঙালিকে গনপিটুনি দিয়ে অগ্নিদগ্ধ করার ঘটনা রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে দুই বাংলায়। ইতিমধ্যেই যার আঁচ এসেছে শহর কলকাতায়। পাশের দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এমন নারকীয় অত্যাচারের প্রতিবাদে আজ শহরে অবস্থিত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বেশকিছু হিন্দু সংগঠন। প্রথমদিকে সমস্ত কিছু সাধারণভাবে চললেও পরবর্তীতে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা পরিস্থিতি।
আসলে এদিন বিভিন্ন সংগঠনের তরফে হাইকমিশনে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে ক্রমশ বাড়তে থাকে ক্ষোভের আগুন। যারফলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কার্যত লাঠি ও চার্জ করতে বাধ্য হয় বিরাট পুলিশ বাহিনী। তবে শুধুমাত্র কলকাতা নয়। রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে শুরু করে মধ্যপ্রদেশ সহ হায়দরাবাদের মতো শহরে ও ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। সেই নিয়েই বর্তমানে সরগরম গোটা দেশ। এসবের মাঝেই এবার বাংলাদেশ ইস্যুতে মুখ খুললেন লাল-হলুদ ফুটবলার সৌভিক চক্রবর্তী।
বেশ কিছুক্ষণ আগে নিজের সোশ্যাল সাইটে তিনি লেখেন, ‘ বাংলাদেশের হিন্দু পরিবারগুলি নিরাপত্তা, সম্মান এবং সমান অধিকারের যোগ্য। কারো প্রার্থনা, জীবনযাপন বা কথা বলতে ভয় পাওয়া উচিত নয়। আসুন আমরা এখনই উঠে দাঁড়াই, সত্য ভাগ করে নিই এবং প্রকৃত সুরক্ষা দাবি করি। ন্যায়বিচারকে নীরব থাকতে দেখলে কষ্ট হয়। এখনই নইলে কখনই নয়।’ বাংলার এই ফুটবলারের মন্তব্য বর্তমানে যথেষ্ট নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। উল্লেখ্য, গত কয়েক সিজন ধরেই ময়দানের এই প্রধানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সৌভিক চক্রবর্তী। দলের হয়ে জিতেছেন কলিঙ্গ সুপার কাপ।
চলতি সিজনে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত সাফল্য না আসলেও আসন্ন টুর্নামেন্টে ভালো পারফরম্যান্স করতে বদ্ধপরিকর ময়দানের এই প্রধান। সেক্ষেত্রে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেওয়ার লক্ষ্য থাকবে সৌভিকের।










