জয়ের মধ্য দিয়েই এবার সন্তোষ ট্রফি (Santosh Trophy) শুরু করেছে বাংলা দল। সূচি অনুসারে এদিন দুপুরে আসামের ঢাকুয়াখানা ফুটবল স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে নেমেছিল সঞ্জয় সেনের ছেলেরা। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল নাগাল্যান্ড। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে চারটি গোলের ব্যবধানে সেই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রবি হাঁসদারা। অধিনায়ক ছাড়াও এদিন গোল পেয়েছেন সায়ন বন্দোপাধ্যায়, আকাশ হেমরাম, এবং আকিব নাওয়াব।এই জয়ের ফলে পরবর্তী ম্যাচে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে মাঠে নামতে পারবে বাংলার ছেলেরা। এদিন ম্যাচের দুই মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে আসা বল হেড করে গোলে ঠেলে দেন রবি। যারফলে একটি গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলা।
ম্যাচের শুরুতেই অগ্ৰগমন নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল সকলের। তারপর বেশ কয়েকবার প্রতি আক্রমণে উঠে আসলেও গোলের মুখ খুলতে পারেনি নাগাল্যান্ড। পরবর্তীতে ম্যাচের দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শেষে দুর্দান্ত ক্রস থেকে উঠে আসা বল হেড করে নিখুঁত ভাবে প্রতিপক্ষের জালে জড়িয়ে দেন সায়ন। যারফলে প্রথমার্ধের শেষে দুইটি গোলের ব্যবধানে এগিয়ে যায় গতবারের বিজয়ীরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ব্যবধান কমাতে তৎপর ছিল নাগাল্যান্ড কিন্তু বাংলার রক্ষণভাগ ভেদ করে গোল তুলে আনা সম্ভব হয়নি। বরং দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেয় গতবারের বিজয়ীরা।
তারপর ৯০ মিনিটের মাথায় প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ঢুকে গোল মুখি শট নেন আকিব। যার কোনও জবাব ছিল না নাগাল্যান্ডের গোলরক্ষকের কাছে। দলের এমন পারফরম্যান্স নিয়ে যথেষ্ট খুশি সঞ্জয় সেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই নিয়ে তিনি বলেন, ‘ জেতাটা দরকার ছিল। আমরা ছেলেদের বলেছিলাম বড় মার্জিনে জিততে পারলে। যেহেতু গ্ৰুপ লিগের খেলা সেক্ষেত্রে নিজেদের এগিয়ে রাখতে পারলে সুবিধা। ছেলেরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে। আমি ছেলেদের জন্য গর্বিত। আমাদের অনেকদূর যেতে হবে। এটা সবে শুরু। এটা আমাদের ভুলে যেতে হবে। আমাদের যদি ভালো কিছু অর্জন করতে হয় তাহলে এটা ভুলে যেতে হবে।’
পাশাপাশি আজ বাংলা দলের জার্সিতে প্রথম গোল পান আকিব নাওয়াব। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এই গোলটি আমার দল আমার পরিবার সহ সকলকে উৎসর্গ করছি। আমি এভাবেই নিজের সেরাটা দিয়ে খেলতে চাই। সাফল্য পেতে চাই।’
