অস্কার ব্রুজনের হাত ধরে আইএসএলে ছন্দে ফিরেছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ফুটবল ক্লাব। একের পর এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ দলকে পরাজিত করায় এই দলকে নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল লাল-হলুদ সমর্থকরা। কিন্তু শেষ রক্ষা হল কোথায়। এফসি গোয়ার কাছে দ্বিতীয় লেগে পরাজিত হওয়ার পর ইন্ডিয়ান সুপার লিগের সুপার সিক্সে যাওয়ার আশা অনেকটাই কমে গিয়েছিল কলকাতা ময়দানের এই প্রধানের। তবুও হাল ছাড়েননি দলের স্প্যানিশ কোচ। সীমিত শক্তি নিয়েই লড়াই করছেন একের পর এক ম্যাচ। কেরালা ব্লাস্টার্সকে পরাজিত করার পর চেন্নাইয়িন এফসি ম্যাচে সেই ধারা বজায় রাখার পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি।
ঘরের মাঠে বিরাট বড় ব্যবধানে এই ম্যাচে পরাজিত হয় ইমামি ইস্টবেঙ্গল। যারফলে এবারের আইএসএলের প্লে- অফে যাওয়ার রাস্তা কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে মশাল ব্রিগেডের। এবার বাকি ম্যাচগুলিতে ভালো পারফরম্যান্স করে এবারের মতো আইএসএল শেষ করাই প্রধান লক্ষ্য সকলের। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারি পরবর্তী ম্যাচ খেলতে নামবে লেসলি ক্লডিয়াস সরণির এই ফুটবল দল। যেখানে তাঁদের লড়াই করতে হবে পড়শী ক্লাব মহামেডান স্পোটিংয়ের সঙ্গে। গত লেগে নয় জনে লড়াই করে প্রতিপক্ষ দলকে আটকে দিয়েছিল সৌভিক চক্রবর্তীরা।
কিন্তু এই দ্বিতীয় লেগের ডার্বি ম্যাচে জয় ছাড়া আর কিছুই ভাবছেন না অস্কার ব্রুজন। তবে চোট আঘাতের সমস্যা যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না লাল-হলুদের। স্বাভাবিকভাবেই প্রথম একাদশ সাজাতে গিয়ে হিমশিম খাওয়ার মত পরিস্থিতি এই দলের। বলাবাহুল্য গতকাল অনুশীলন চলাকালীন চোট পেয়েছিলেন দলের নয়া বিদেশ ফুটবলার রিচার্ড সেলিস। পরবর্তীতে মাঠ থেকে উঠে যেতে হয়েছিল ভেনিজুয়েলার এই তারকা ফুটবলারকে। স্বাভাবিকভাবেই মহামেডান ম্যাচে আদৌ ও তিনি খেলতে পারবেন কিনা সেই নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। সেইসাথে জিকসন সিংকে নিয়ে ও তৈরি হয়েছিল সমস্যা।
বৃহস্পতিবারের অনুশীলনে সেগুলোই যেন নজর কাড়ল ব্যাপকভাবে। এদিন দলের অনুশীলনে সাধারন জুতো পরেই উপস্থিত হয়েছিলেন এই দুই ফুটবলার। টিম হার্ডলের সময় দলের সঙ্গে থাকলেও পরবর্তীতে আর মাঠে নামেননি রিচার্ড সেলিস এবং জিকসন সিং। বাকি সময়টা সতীর্থদের অনুশীলন দেখেই সময় কাটিয়েছেন এই দুই তারকা। স্বাভাবিকভাবেই আসন্ন ডার্বি ম্যাচে তাঁদের মাঠে থাকার সম্ভাবনা যথেষ্ট কম। তবে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়ে সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানোই অন্যতম লক্ষ্য ব্রুজনের।