এবারের রিলায়েন্স কর্তৃক আয়োজিত ইউথ ডেভেলপমেন্ট লিগে (RFDL) দুরন্ত ছন্দে রয়েছে দুই প্রধান। ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। বলাবাহুল্য, গতবার এই খেতাব জয় করেছিল সবুজ-মেরুন শিবির। নিঃসন্দেহে যা বিরাট বড় সাফল্য বাংলার যুব ফুটবলের ক্ষেত্রে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন অন্যতম চ্যালেঞ্জ মেরিনার্সদের। অন্যদিকে, একবার এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেললেও চূড়ান্ত সাফল্য আসেনি আটকে যেতে হয়েছিল পাঞ্জাব এফসির কাছে। সেই সব ভুলে এবার চূড়ান্ত সাফল্য একমাত্র লক্ষ্য লাল-হলুদের। তবে গতবারের মতো চ্যাম্পিয়ন মেজাজ নিয়েই এবার টুর্নামেন্টে এগিয়ে চলেছে মোহনবাগান।
প্রথম ম্যাচে সহজেই এসেছিল জয়। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ ছিল বেঙ্গল ফিউচার চ্যাম্পস। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে একটি গোলের ব্যবধানে সেই ম্যাচে জয় পেয়েছিল ছেলেরা। তারপর সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল ভিক্টোরিয়া ম্যাচে। সেখানেও বড় ব্যবধানে এসেছিল জয়। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্য নিয়েই তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিল মেরিনার্সরা। যেখানে প্রতিপক্ষ ছিল ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাব। শেষ পর্যন্ত আটটি গোলের ব্যবধানে এসেছিল জয়। চারটি গোল করেছিলেন সুহেল আহমেদ ভাট। এমনকি গত ২৩ শে জানুয়ারি ডায়মন্ড হারবার এফসির বিপক্ষেও জয় ছিনিয়ে নিতে খুব একটা অসুবিধে হয়নি সবুজ-মেরুনের।
এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি ডার্বি জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই এবার নৈহাটির বঙ্কিমাঞ্চল স্টেডিয়ামে নামতে চলেছে মোহনবাগান। যেখানে প্রতিপক্ষ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। যদিও এবারের শুরুটা ইস্টবেঙ্গলের জন্য খুব একটা সুখকর ছিল না। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই পরাজিত হতে হয়েছিল ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবের কাছে। যদিও সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে খুব একটা সমস্যা হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই দুরন্ত ছন্দে ইস্টবেঙ্গল। ভিক্টোরিয়া থেকে শুরু করে ডায়মন্ড হারবার এফসি হোক কিংবা ফিউচার চ্যাম্পস। জয় এসেছে সহজেই। কাজেই রবিবারের ডার্বি যে হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে সেটা বলাই চলে।
তবে এবার বিনামূল্যে দেখা যাবে ছোটদের ডার্বি। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। ঠিক এমনটাই জানানো হয়েছে বঙ্গীয় ফুটবল ফেডারেশনের তরফে। সেই অনুযায়ী রবিবার সকাল ১১ টা থেকে নৈহাটির বঙ্কিমাঞ্চল স্টেডিয়ামের মেইন গেট থেকে বিতরণ করা হবে দুই প্রধানের ম্যাচ পাস। প্রত্যেকটি পাশের বিনিময় একজন করে প্রবেশ করতে পারবেন মাঠের মধ্যে।
