
দুরন্ত পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে এবার সন্তোষ ট্রফি জয় করেছে বাংলার ফুটবল দল। এক্ষেত্রে এই অভূতপূর্ব সাফল্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন রবি হাঁসদা (Ravi Hansda)। করেছিলেন মোট ১২টি গোল। এমনকি সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে শক্তিশালী কেরালা দলের বিপক্ষে ও গোল এসেছিল বাংলার এই ফুটবলারের পা থেকে। তাঁর করা একটিমাত্র গোলের দরুন এবার চূড়ান্ত সাফল্য পায় সঞ্জয় সেনের দল। সেই নিয়ে যথেষ্ট খুশি বঙ্গের ফুটবলপ্রেমী মানুষরা। এই অনবদ্য পারফরম্যান্সের দরুন তাঁকে দলে নিতে আসলে নেমে পড়ে কলকাতা ময়দানে তিন প্রধান।
বিশেষ করে উইন্টা ট্রান্সফার উইন্ডো চালু হওয়ার পর থেকেই তাঁকে পাওয়ার জন্য লড়াই ক্রমশ তীব্র হয়ে ওঠে ইমামি ইস্টবেঙ্গল থেকে শুরু করে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের। তবে বাকিদের তুলনায় প্রথম থেকেই অনেকটা এগিয়েছিল সাদা-কালো শিবির। শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করল রেড রোডের এই ফুটবল ক্লাব। যারফলে কলকাতা কাস্টমস ফুটবল ক্লাব থেকে মাস ছয়েকের লোন চুক্তিতে তাঁকে দলে টেনে নিল ব্ল্যাক প্যান্থার্সরা। সোমবার বিকেলে শ্রাচী কর্তাদের উপস্থিতিতে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে সই করে ফেললেন বাংলার এই দাপুটে ফুটবলার। যা নিঃসন্দেহে বিরাট বড় চমক।
রবি হাঁসদার উপস্থিতিতে আগের থেকে আরও অনেকটাই শক্তিশালী হয়ে উঠবে মহামেডানের আপফ্রন্ট। এবার সেটা কাজে লাগিয়েই ইন্ডিয়ান সুপার লিগে নিজেদের পুরনো ছন্দ ফেরানোর লক্ষ্য আন্দ্রে চেরনিশভের ফুটবল দলের।বলাবাহুল্য, আইএসএলের শুরুটা যথেষ্ট ভালো থাকলেও পরবর্তীতে ছন্দ হারিয়েছে সাদা-কালো ব্রিগেড। পরাজিত হতে হয়েছে একের পর এক ম্যাচ। যারফলে বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলের একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে মহামেডান। সেখান থেকেই এবার ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ। সেজন্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই একাধিক ফুটবলারদের দিকে নজর ছিল ম্যানেজমেন্টের।
পড়শী ক্লাবের থেকে নিজেদের পুরনো ফুটবলারকে ফেরানোর পরিকল্পনা থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি। তারপর বিকল্প হিসেবে একাধিক ফুটবলারদের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করেছিল ময়দানের এই প্রধান। সেখান থেকেই শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করল সাদা-কালো শিবির। বাংলা দলের পর মহামেডানের জার্সিতে আদৌও তিনি কতটা সাফল্য পান এখন সেটাই দেখার বিষয়।










