
গতবারের হতাশা ভুলে এবারের সুপার কাপে ভালো পারফরম্যান্স করতে বদ্ধপরিকর ছিল কেরালা ব্লাস্টার্স (Kerala Blasters)।সেইমতো খেলোয়ারদের প্রস্তুত করেছিলেন ডেভিড কাতলা। এক্ষেত্রে তাঁর পছন্দকে গুরুত্ব দিয়েই খেলোয়াড়দের দলে টেনেছিল ম্যানেজমেন্ট।
যেখানে দেশীয় ফুটবলারদের পাশাপাশি বিদেশি নির্বাচনে ও থেকেছিল চমক। তাঁদের নিয়েই এবার চূড়ান্ত সাফল্য পেতে বদ্ধপরিকর ছিল দক্ষিণের এই ফুটবল ক্লাব। সেইমতো অনবদ্য শুরু করেছিল কেরালা। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে তাঁরা পরাজিত করেছিল আইলিগের শক্তিশালী ফুটবল ক্লাব তথা রাজস্থান ইউনাইটেডকে।
‘আর পারছি না’! ফেসবুক লাইভের পরেই হাসপাতালে দেবলীনা, কী হয়েছে গায়িকার?
যেটা নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল সকলের। সেই ধারা বজায় রেখেই পরবর্তীতে গোয়ার বুকে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেছিল আইএসএলের এই দল। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল টুর্নামেন্টের নবাগত ফুটবল ক্লাব স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি। শেষ পর্যন্ত তিনটি গোলের ব্যবধানে সেই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল কোরো সিংরা।
টমাস টর্চজের ছেলেরা দাপুটে পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রাখলে ও খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। যারফলে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে যাওয়ার অন্যতম দাবিদার হিসেবে উঠে এসেছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। এক্ষেত্রে গ্রুপ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে পেট্র ক্র্যাটকির দলের সঙ্গে ড্র করলেই নিশ্চিত হয়ে যেত সেমিফাইনালের টিকিট।
কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত দলের ফুটবলারদের আত্মঘাতী গোলে পরাজিত হয়ে ছিটকে যেতে হয়েছে টুর্নামেন্ট থেকে। তবুও দেশের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগে ভালো পারফরম্যান্স করার পরিকল্পনা আছে দক্ষিণের এই দলের। তাঁদের। কিন্তু কবে থেকে শুরু হবে এই টুর্নামেন্ট সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।
একটা সময় জট খোলার স্পষ্ট পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হলেও রয়েছে আরও নানা বিষয়। মনে করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই হয়তো স্পষ্ট হয়ে যাবে টুর্নামেন্টের সম্পূর্ণ রূপরেখা। এসবের মাঝেই গত কয়েকদিন আগে টিয়াগো আলভেজকে রিলিজ করার কথা জানিয়ে দিয়েছিল ম্যানেজমেন্ট। যেটা নিঃসন্দেহে হতাশ করেছে সকলকে।
তবে অল্প সময়ের জন্য এই দলে এসে খেলার সুযোগ পেলেও সকলকে আপন করে নিয়েছিলেন এই বিদেশি ফুটবলার। পরবর্তীতে নিজের সোশ্যাল সাইটে সেই প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘ প্রথম দিন থেকেই উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং সমর্থনের জন্য ক্লাব, কর্মী, আমার সতীর্থ এবং অসাধারণ কেরালা ব্লাস্টার্স ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
যদিও এখানে আমার সময় খুব কম ছিল, তবুও আমি ভাগ্যবান যে আমি ভালো মানুষদের সাথে দেখা করেছি এবং এই অভিজ্ঞতা থেকে আমি আমার সাথে ভালো স্মৃতি বয়ে নিয়ে যাচ্ছি। দুর্ভাগ্যবশত, ভারতীয় ফুটবল বর্তমানে যে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে, তাঁর কারণে এই অধ্যায়টি প্রত্যাশার চেয়ে আগেই শেষ হয়ে গেছে। সকলের ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা রইলো।’










