সেমিফাইনাল হারের পর খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ালেন মোলিনা

গত বৃহস্পতিবার টাটা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্রথম লেগের সেমিফাইনাল খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG, )। যেখানে তাঁদের লড়াই করতে হয়েছিল শক্তিশালী জামশেদপুর এফসির…

Jose Molina Backs Mohun Bagan SG Players

গত বৃহস্পতিবার টাটা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্রথম লেগের সেমিফাইনাল খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan SG, )। যেখানে তাঁদের লড়াই করতে হয়েছিল শক্তিশালী জামশেদপুর এফসির সঙ্গে। হিসাব অনুযায়ী এটি অ্যাওয়ে ম্যাচ হলেও প্রথম থেকেই যথেষ্ট দাপট থেকেছে সবুজ-মেরুনের। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ফাটল ধরিয়ে প্রথম থেকেই গোলের সহজ সুযোগ তৈরি করেছিল লিস্টন কোলাসো থেকে শুরু করে সাহাল আব্দুল সামাদরা। কিন্তু ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকেনি। ম্যাচের দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শেষের দিকেই জাভিয়ের সিভেরিও টোরোর হেড থেকে প্রথম গোল তুলে নেয় জামশেদপুর।

Also Read | কাজে এল না কামিন্সের গোল, শেষ মুহূর্তে জয় ছিনিয়ে নিল জামশেদপুর

   

পরবর্তীতে সময় যত এগিয়েছে ততই চাপ বাড়াতে শুরু করেছিল মেরিনার্সরা। তারপর ৩৭ মিনিটের মাথায় চলে আসে সেই বহু প্রতীক্ষিত গোল। ফ্রি-কিক থেকে শট নিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন অজি বিশ্বকাপার জেসন কামিন্স। প্রথমার্ধের শেষে বজায় ছিল এই অমীমাংসিত ফলাফল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই চাপ বাড়িয়ে গোল তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল উভয় দলের। সেইমতো বেশকিছু খেলোয়াড়দের বদল করা হয়েছিল দুই দলের তরফে। কিন্তু পুনরায় গোলের মুখ খোলা সহজ ছিল না কারোর পক্ষেই। নির্ধারিত নব্বই মিনিটের শেষে ও বদলায়নি ম্যাচের ফলাফল।

Advertisements

তবে অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই ঋত্বিক দাসের পাস থেকে গোল করে যান জাভি হার্নান্দেজ। তারপর আর ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি। দলের এমন পারফরম্যান্স নিয়ে যথেষ্ট হতাশ সমর্থকরা। কিন্তু তবুও ফুটবলারদের পাশেই দাঁড়ালেন বাগান কোচ জোসে মোলিনা‌ (Jose Molina)। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ” ম্যাচের প্রথমার্ধে আমাদের দলের বল পজিশন বেশি থাকলেও আমরা ঠিকমতো ফিনিশ করতে পারিনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বরং অনেক বেশি সুযোগ তৈরি করেছি আমরা। তবে ওদের গোলকিপার, ডিফেন্ডাররা অনবদ্য ভাবে সেগুলো রুখেছে। প্রতিপক্ষ রক্ষণে যদি সমানে দলের অধিকাংশ ফুটবলারদের রেখে দেয় তা হলে গোল করা কঠিন হয়ে ওঠে। তবু আমরা গোলের সুযোগ তৈরি করেছি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দুটো স্পষ্ট সুযোগ পেয়েছিলাম। তখনই ৩-১ হয়ে যেত ম্যাচটা। কিন্তু আমরা তা করতে পারিনি। “

Also Read | ওড়িশা এফসির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি সম্প্রসারণ থোইবার

আরও বলেন, ” ম্যাচের শেষের দিকে প্রতি আক্রমণে উঠে ওরা গোল করে যায়। যেটা নিঃসন্দেহে হতাশাজনক। তবে ওরা সাহসী ফুটবল খেলেছে এবং সেজন্যই সফল হয়েছে জামশেদপুর। কিছুদিন পর ঘরের মাঠে খেলা। সেটা আমাদের কাছে চাপের নয়, বরং যথেষ্ট আনন্দের। ৫০-৬০ হাজার সমর্থকদের সামনে খেলতে দারুন লাগে। তবে পরের ম্যাচেও কোনও চাপ থাকবে না। পরের ম্যাচে আরও ভাল খেলবে আমাদের ছেলেরা।”