
গতবারের পর এবারও সাফল্যের মধ্য দিয়ে সিজন শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ফুটবল ক্লাব। পুরুষ দল এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত সাফল্য না পেলেও আশার আলো দেখিয়ে যাচ্ছেন মশাল কন্যারা। আগেরবার ইন্ডিয়ান ওমেন্স চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে এই মরসুমে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিল মহিলা দল। এএফসির টুর্নামেন্টের নক আউট পর্ব থেকেই দুরন্ত ছন্দে ধরা দিয়েছিল সাথী দেবনাথরা। যারফলে মূল পর্বে স্থান করে নিতে খুব একটা সমস্যা পোহাতে হয়নি কলকাতা ময়দানের এই দলকে। তারপর ও দাপট ছিল লাল-হলুদের।
ইরানের দলকে পরাজিত করে নকআউট পর্বে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের। যদিও সেটা পরবর্তীতে আর বজায় থাকেনি। যারফলে ভালো ফুটবল খেলেও ছিটকে যেতে হয়েছিল টুর্নামেন্ট থেকে। সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওমেন্স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে চূড়ান্ত সাফল্য পাওয়ার লক্ষ্য ছিল ফাজিলা ইয়কপুতদের সেটাই হয়েছে। ভুটান থেকে শুরু করে পাকিস্তান হোক কিংবা বাংলাদেশ। এই সমস্ত দেশের একের পর এক শক্তিশালী ফুটবল ক্লাবকে ধরাশায়ী করে ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর লড়াই করতে হয়েছিল নেপালের এপিএফ এফসির বিপক্ষে।
সেখানে তিনটি গোলের ব্যবধানে এসেছিল জয়। যারফলে সৃষ্টি হয় এক নতুন ইতিহাস। ভারতের প্রথম মহিলা দল হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় সেরা হিসেবে নির্বাচিত হয় মশাল কন্যারা। এ এক অভূতপূর্ব সাফল্য। সেই নিয়ে যথেষ্ট খুশি আপামর ইস্টবেঙ্গল জনতা। এই সাফল্য বজায় রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য সুলঞ্জনা রাউলদের। ২৪ শে ডিসেম্বর দুপুরে আইডব্লিউএলের ম্যাচে নামছে অ্যান্থনির মেয়েরা। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে শক্তিশালী সেতু এফসি। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের পর এবার সর্বভারতীয় এই লিগের ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করতে চান কোচ।
এক্ষেত্রে সমর্থকদের পাশে চান অ্যান্থনি। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘ সকলের কাছে অনুরোধ। আপনারা আগামীকাল আসুন। সেতুর বিপক্ষে আমরা ২:৩০ নাগাদ মাঠে নামছি। আপনাদের সকলের সমর্থন আমাদের জন্য খুবই জরুরী। গতবারের মতো এবারও আমরা এই ট্রফি আপনাদের জন্য জিততে চাই। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ আপনারা সকলেই মাঠে আসুন।আমাদের পাশে থাকুন।’










