ওয়ানডে সিরিজে (IND vs NZ) অপ্রত্যাশিত হারের পর চাপ যে বেশ ভালোই বেড়ে গিয়েছিল, তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। বিশেষ করে কোচ গৌতম গম্ভীরের উপর। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে টানা জয়ে অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে ভারতীয় শিবিরে। শুধু জয় নয়, দলের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের ফর্মে ফেরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর।
টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব নেওয়ার পর থেকেই ব্যাট হাতে নিজেকে খুঁজছিলেন সূর্য। রান আসছিল না, আত্মবিশ্বাসেও ছিল ঘাটতি। কিন্তু রায়পুরে দেখা গিয়েছিল চেনা সেই ‘স্কাই’কে। অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন দ্রুত ফিরে গেলেও ২০০ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে কোনও সমস্যাই হয়নি ভারতের। সূর্যের সাবলীল ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি নজর কাড়ে ঈশান কিষাণের ইনিংস।
ঈশানের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে এতটাই মুগ্ধ ছিলেন সূর্য যে ম্যাচের পর নিজেই তা স্বীকার করেন। যদিও পাওয়ার প্লেতে স্ট্রাইক না পাওয়ায় একসময় একটু বিরক্তও হয়েছিলেন অধিনায়ক। সূর্য বলেন, “একটা সময় রাগ হচ্ছিল। পাওয়ার প্লে’তে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাচ্ছিলাম না। তবে ঠিক আছে, এটা ক্রিকেটেরই অংশ।”
রবিবার গুয়াহাটিতে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি। এখানেই সিরিজ জয়ের কাজটা সেরে ফেলতে চাইছে ভারত। বিশ্বকাপের আগে হাতে সময় খুব বেশি নেই, আর মাত্র দশেক দিনের মধ্যেই। ৭ ফেব্রুয়ারি, ঘরের মাঠে শুরু হবে ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান। তাই এই মুহূর্তে জয়ের মোমেন্টাম ধরে রাখাই মূল লক্ষ্য টিম ম্যানেজমেন্টের।
এদিনের একাদশে খুব বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে সব নজর থাকবে অক্ষর প্যাটেল ও জশপ্রীত বুমরাহর ফিটনেসের উপর। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বিশ্রাম পেয়েছিলেন বুমরাহ। বিশ্বকাপকে মাথায় রেখেই তাঁকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে খেলানোর পরিকল্পনা। যদি গুয়াহাটিতে বুমরাহ ফেরেন, তাহলে অর্শদীপ সিং বা হর্ষিত রানার মধ্যে কাউকে বাইরে বসতে হতে পারে। অন্যদিকে, চোট কাটিয়ে অক্ষর ফিরলে বিশ্রাম পেতে পারেন কুলদীপ যাদব।
