গত বৃহস্পতিবার বেঙ্গল সুপার লিগের চতুর্থ ম্যাচে নেমেছিল হাওড়া-হুগলি ওয়ারিয়র্স এফসি। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল নর্থ চব্বিশ পরগনা এফসি। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে একটি গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে হোসে রেমিরেজ ব্যারেটোর ছেলেরা। দলের হয়ে গোল করেছেন যথাক্রমে সাহিল হরিজন, ফ্রাঙ্ক উইলিয়াম এবং পাবলো সিজার। অন্যদিকে, উত্তর চব্বিশ পরগনার হয়ে গোল করেন যথাক্রমে কুইন্টানা অর্টুজার এবং অঙ্কন ভট্টাচার্য। বর্তমানে চার ম্যাচে নয় পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে লিগ টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠে আসলো সাহিলদের ফুটবল দল।
তবে এদিন লড়াইটা খুব একটা সহজ ছিল না। ম্যাচের ২৭ মিনিটের মাথায় চলে এসেছিল প্রথম গোল। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের নাস্তানাবুদ করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন সাহিল হরিজন। যা নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল ওয়ারিয়র্সদের। কিন্তু সেটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৩২ মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে সমতায় ফেরান কুইন্টানা অর্টুজা। তারপর থেকেই বেশ কিছুটা সাবধানতার সাথে খেলতে দেখা গিয়েছিল দুই শিবিরকে। তবে প্রথমার্ধের শেষ লগ্নে সুযোগ বুঝেই ফের গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ফ্রাঙ্ক উইলিয়াম। প্রথমার্ধের শেষে একটি গোলেই এগিয়ে ছিল হাওড়া-হুগলি দল।
তবে দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম থেকেই গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল নর্থ চব্বিশ পরগনা। চতুর্থ কোয়ার্টারের মধ্যেই গোল করে সমতায় এনে দিয়েছিলেন অঙ্কন ভট্টাচার্য। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত সময়ের মধ্যেই গোল করে দলের ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করেন পাওলো সিজার। পরবর্তীতে সাংবাদিক বৈঠকে দলের কোচ হোসে ব্যারেটোকে পছন্দের গোল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘ উইনিং গোল।’ তাঁর কথায়, ‘ জয়সূচক গোল সবসময় স্পেশাল। ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে সেটপিস থেকে এই গোলে আমাদের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। সব রকম ভাবেই আমরা নিজেদের প্রস্তুত করেছিলাম। তিন পয়েন্ট আশায় আমি খুশি।’
হাতে কয়েকদিন। তারপরেই আগামী ২৮শে ডিসেম্বর কাঞ্চনজঙ্ঘার বুকে নর্থবেঙ্গল ইউনাইটেড বিপক্ষে খেলতে নামবে হাওড়া-হুগলি দল। এই ম্যাচ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘ এখনই আমি এই ম্যাচ নিয়ে কিছু ভাবছি না। ছেলেরা আজকের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পুরো পয়েন্ট নিয়ে এসেছে। সেটা নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। এই জয়টাই আমরা সেলিব্রেট করতে চাই।’










