
গতবার দাপুটে ফুটবল খেললে ও খেতাব আসেনি গোকুলাম কেরালা এফসির (Gokulam Kerala FC) ঘরে। শেষ পর্যন্ত আইলিগের চতুর্থ স্থানেই শেষ করেছিল এই ফুটবল ক্লাব। সেটা যথেষ্ট হতাশ করেছিল ম্যানেজমেন্টকে। প্রবল হতাশা দেখা দিয়েছিল দলের ফুটবলারদের মধ্যে। তবে পুরনো সমস্ত কিছু ভুলে আসন্ন নয়া সিজনে ঘুরে দাঁড়িয়ে সাফল্য পেতে মরিয়া রয়েছে গোকুলাম। তাই সবদিক মাথায় রেখে গত কয়েক বছরের মতো এবার ও একাধিক হাইপ্রোফাইল ফুটবলারদের দলের সঙ্গে যুক্ত করে চমক দিয়েছিল ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ফলাফল আসছে কোথায়। সাফল্য পাওয়ার লক্ষ্যে বিদেশি ফুটবলারদের পাশাপাশি একাধিক ভারতীয় প্রতিভার দিকেও নজর ছিল তাঁদের।
সময় এগোনোর সাথে সাথেই তাঁদের অধিকাংশের সই করানোর কথা জানিয়ে দিয়েছিল দুইবারের আইলিগ জয়ী এই দল। তবে শুধুমাত্র ফুটবলার নয়। দলের কোচ সহ সাপোর্টিং স্টাফেদের ক্ষেত্রে ও সিজনের শুরুতে আমূল বদল এনেছিল ম্যানেজমেন্ট। সেইমতো নতুন দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল হোসে হেভিয়ার হাতে। পঞ্চাশের ও বেশি বয়সী এই অভিজ্ঞ স্প্যানিশ ম্যানেজারকে নিয়ে ব্যাপক প্রত্যাশা সকলের। কিন্তু মরসুমের শুরু থেকেই একের পর টুর্নামেন্টে নাস্তানাবুদ হয়েছে কেরালার এই ফুটবল দলকে।
বিরাট পরিমান অর্থ খরচ করে ও দলের এমন বেহাল পরিস্থিতি কিছুতেই ভালোভাবে নিচ্ছে না ম্যানেজমেন্ট। আইএফএ শিল্ড হোক কিংবা অন্যান্য ঘরোয়া টুর্নামেন্ট। দক্ষিণের এই ফুটবল ক্লাবের পারফরম্যান্স নিয়ে অখুশি সকলেই। যারফলে বর্তমান কোচের ভূমিকা নিয়ে উঠে আসতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। তাহলে কি শক্তিশালী এই দল সামাল দিতে পারছেন না এই বিদেশি কোচ। এই প্রশ্ন উঠে আসতে শুরু করেছে ব্যাপকভাবে। এই পরিস্থিতিতে বিগত কয়েক মাস ধরেই কোচ বদলের কথা ও শোনা যেতে শুরু করেছিল ব্যাপকভাবে।যারফলে মনে করা হচ্ছিল যে আসন্ন আইলিগে হয়তো তাঁর বিকল্প হিসেবে অন্য কাউকে দলের দায়িত্বে আনতে পারে দক্ষিণের আইলিগ জয়ীরা।
বর্তমানে সেই সম্ভাবনা প্রবল থেকে প্রবলতর। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। বিশেষ সূত্র মারফত খবর, ইতিমধ্যেই নাকি আইলিগ জয়ী এই ফুটবল দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে সম্মত হয়েছেন হেভিয়া। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই হয়তো সেই বিষয়টি স্পষ্ট করে দেবে ম্যানেজমেন্ট।










