
গত সোমবার রাজধানীর বুকে আয়োজিত হয়েছিল গোট কনসার্ট। অন্যান্য শহরের মতো সেখানে ও গত ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ী লিওনেল মেসিকে (Lionel Messi) দেখতে স্টেডিয়ামে ভিড় জমিয়েছিলেন বহু মানুষ। এই আর্জেন্টাইন তারকা ছাড়াও সেখানে ছিলেন রদ্রিগো ডি পল এবং লুইজ সুয়ারেজ। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নানাবিধ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় সেই অনুষ্ঠান। পূর্বে হায়দরাবাদ ও মুম্বাইতে ও দেখা গিয়েছিল সেই একই ছবি। যা নিঃসন্দেহে নজর কেড়েছে সকল ফুটবলপ্রেমীদের। বর্তমানে এই কনসার্ট নিয়েই মাতোয়ারা সকলে।
সেই অনুষ্ঠানের শেষেই পুনরায় ভারতে ফেরার কথা শোনা যায় মেসির তরফে। তিনি বলেন, ‘ভারতে এই দিনগুলিতে ভালোবাসা এবং স্নেহের জন্য আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আসলে, এটি ভাগ করে নিতে পারা আমাদের জন্য সত্যিই একটি সুন্দর অভিজ্ঞতা ছিল। যদিও এটি সংক্ষিপ্ত এবং তীব্র ছিল, তবুও এই সমস্ত ভালোবাসা যা আমি জানতাম তা পাওয়া অসাধারণ ছিল। এটি ছিল এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। আজকাল তারা আমাদের জন্য সব কিছু করেছে।
তাই, আমরা এই ভালোবাসা আমাদের সাথে বহন করছি, এবং আমরা অবশ্যই ফিরে আসব, আশা করি একদিন ম্যাচ খেলতে অথবা অন্য কোনও অনুষ্ঠানে, তবে আমরা অবশ্যই ভারত সফরে ফিরে আসব। আপনাদেরকে অনেক ধন্যবাদ।’
বলাবাহুল্য, হায়দরাবাদ থেকে শুরু করে মুম্বাই ও দিল্লিতে পরিকল্পনামাফিক এই অনুষ্ঠান আয়োজন সম্ভব হলেও কলকাতায় দেখা গিয়েছিল এক অন্য ছবি। মেসি সহ তাঁর সতীর্থরা সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পা রাখলেও সেখানে থাকতে পারেননি বেশিক্ষণ। আসলে, প্রদর্শনী ম্যাচ চলার পর মেসি সহ বাকি দুই তারকা আসার পর স্বাভাবিকভাবেই সকলের দৃষ্টি চলে গিয়েছিল স্টেডিয়ামে থাকা আমজনতার। কিন্তু নিজেদের মনের মতো করে এই তিন তারকাকে চাক্ষুষ করতে পারেননি সমর্থকদের একটা বিরাট অংশ। যারফলে পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের রক্তচক্ষুর সম্মুখীন হতে হয়েছিল যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনকে।
সেটা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল সর্বত্র। যারফলে অন্যান্য শহর গুলিতে এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বাড়তি সচেতনতা দেখা গিয়েছিল আয়োজকদের তরফে। তবে সেইসব দূরে ঠেলে মেসিকে পুনরায় শহরে পেতে চান বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা। কিন্তু কবে আসবে সেইদিন? সেই উত্তর খুঁজে চলেছেন সকলে।










