
কলকাতার ফুটবল দুনিয়ায় ফের উন্মাদনার ঝড়। সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের অন্যতম লিওনেল মেসির (Lionel Messi) হাতে উঠতে চলেছে ভারতীয় ফুটবল ইতিহাসের গৌরবগাথা। ১৯১১ সালের ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ড জয়ের স্মারক বিশেষ জার্সি। সবুজ-মেরুন শিবিরের পক্ষ থেকে এই অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এক্ষেত্রে সমর্থকদের আবেগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
জেলে বসেই চলছে শাহজাহানের ষড়যন্ত্র! সরব বিজেপি
১৯১১ সালের ২৯ জুলাই। ব্রিটিশ ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে ১–২ গোলে হারিয়ে প্রথমবার আইএফএ শিল্ড জেতে মোহনবাগান। ‘অমর একাদশের’ বীরত্বগাথা শুধু ফুটবলজয় নয়, তখনকার স্বাধীনতা সংগ্রামে এক অনন্য মনস্তাত্ত্বিক প্রেরণা ছিল এই সাফল্য। সেই ইতিহাসকেই শ্রদ্ধা জানাতে ১৯১১ সালের অনুকরণে তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ সবুজ-মেরুন জার্সি, এবার মেসির হাতে তুলে দেওয়া হবে।
আসন্ন প্রীতি ম্যাচ, ডায়মন্ড হারবার বনাম মোহনবাগান অল স্টার্সের আগে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এলএমটেনের উপস্থিতিতে মেসিকে দেওয়া হবে ঐতিহাসিক জার্সিটি। মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বোস ও সভাপতি দেবাশিস দত্ত নিজ হাতে বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন তারকার হাতে এই উপহার তুলে দেবেন। থাকতে পারেন বহু প্রাক্তন তারকারাও।
মেসির ভারত সফর যত ঘনিয়ে আসছে, ততই উচ্ছ্বাস বাড়ছে ফুটবলবিলাসীদের মধ্যে। কলকাতায় এসে তিনি শুধু গোট কনসার্টেই অংশ নেবেন না, লেকটাউন মোড়ে নিজের ৭০ ফুট উচ্চতার মূর্তির উদ্বোধনও করবেন। তবে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, নিরাপত্তাজনিত কারণে সেই উদ্বোধন সরাসরি না হয়ে হোটেল থেকেই ভার্চুয়ালি হতে পারে। শতদ্রু দত্ত জানিয়েছেন, “পরিস্থিতির কারণে মেসির ওখানে যাওয়ায় নিরাপত্তা সমস্যা থাকতে পারে। তাই হোটেল থেকেই ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের সম্ভাবনা বেশি।”
১৩ ডিসেম্বর সকালে অনুষ্ঠিত হবে মূর্তি উদ্বোধন। সেই স্থানে কয়েক বছর আগে দিয়েগো মারাদোনাও নিজের মূর্তি উদ্বোধন করেছিলেন।
শুক্রবার গভীর রাতে আন্তর্জাতিক সুপারস্টার উঠবেন ইস্টার্ন বাইপাসের ধারের এক অভিজাত হোটেলে। কলকাতার কর্মসূচি সেরে ওইদিনই দুপুরে তিনি উড়ে যাবেন হায়দরাবাদে। কলকাতার আকাশে তাই ইতিমধ্যেই ফুটবলের উজ্জ্বল নক্ষত্রের আগমনবার্তা। আর তার আগমনের সাক্ষী হয়ে থাকবে ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী গর্ব ১৯১১ সেই শিল্ডজয়ী সবুজ-মেরুন জার্সি।









